এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি কেএম জাহিদ সরওয়ার কাজল ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল এ আদেশ দেন। তাকে কেন স্থায়ী জামিন দেয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রতি রুল জারি করেন আদালত।
এদিন আদালতে খায়রুল হকের পক্ষে শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী ও আইনজীবী মোতাহার হোসেন সাজু। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সায়লা শাজনীন শান্তা।
এ নিয়ে খায়রুল হকের বিরুদ্ধে থাকা সব মামলায় জামিন হওয়ায় তার কারামুক্তিতে আর কোনো আইনগত বাধা থাকল না বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী মোতাহার হোসেন সাজু।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর ২০২৫ সালের ২৪ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে বিচারপতি খায়রুল হককে গ্রেফতার করে ডিএমপির গোয়েন্দা শাখা। ওইদিন রাতেই তাকে যাত্রাবাড়ীতে যুবদল কর্মী আবদুল কাইয়ুম আহাদ হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। এর পর থেকে তিনি কারাগারেই রয়েছেন।
গত এক বছরে তাকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে হত্যা বা হত্যাচেষ্টা, রায় জালিয়াতি ও দুর্নীতির মোট নয়টি মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। এর সবক’টিতেই তিনি জামিন পেয়েছেন বলে জানান সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোতাহার হোসেন সাজু।










