তিনি বলেন, ‘অভিন্ন ইতিহাসের এ সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও অংশীদারত্ব ক্রমেই বিকশিত হচ্ছে। বাণিজ্য, যোগাযোগ, নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যসেবাসহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ক্ষেত্রে আমরা আমাদের অংশীদারত্ব এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি।’ গতকাল সকালে ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশনে দেশটির স্বাধীনতার ৮০ বছর উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার এসব কথা বলেন।

ত্রিবেদী বলেন, আমরা স্বীকার করি, অভিন্ন আকাঙ্ক্ষা ও পারস্পরিক সদিচ্ছার ওপর প্রতিষ্ঠিত জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্কই এ দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্বের প্রকৃত প্রাণস্পন্দন। ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে আসুন, ভারতের অব্যাহত অগ্রগতি, ঐক্য ও সমৃদ্ধির প্রতি আমাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করি।

তিনি বলেন, একই সঙ্গে অভিন্ন সমৃদ্ধির লক্ষ্যে হাতে হাত রেখে কাজ করে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার বন্ধুত্বের অসাধারণ বন্ধনকে আরো শক্তিশালী করে তুলি। হাইকমিশনের এ আয়োজনে যুক্ত হয়েছিলেন দেশে অবস্থানরত ভারতীয় নাগরিকরা। এছাড়া হাইকমিশনের কর্মকর্তারা এবং বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গে উত্তোলন করা হয় ভারতের জাতীয় পতাকা। এ সময় ভারতের জাতীয় সৎগীত পরিবেশন করা হয়। পতাকা উত্তোলন করেন হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। পরে স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের অংশ হিসেবে ভারতীয় হাইকমিশন, ঢাকায় কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা মিশন সংলগ্ন এলাকায় একটি পরিচ্ছন্ন অভিযান পরিচালনা করেন। এছাড়া ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত কুইজ ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের সংবর্ধনা দেন। স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের অংশ হিসেবে ভারতীয় হাইকমিশন, ঢাকায় কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা মিশনসংলগ্ন এলাকায় একটি পরিচ্ছন্ন অভিযান পরিচালনা করেন।