বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর শিল্প উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, সরকারের প্রতিটি কাজ, কর্মকাণ্ড ও বাস্তবায়নাধীন কর্মসূচির ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী প্রতিটি স্তরে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করেছেন। তাই জনস্বার্থের বাইরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল কোনো কাজ করবে না
আজ সোমবার রাজধানীর শেরে বাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে দলটির প্রতিষ্ঠাতা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে সরকারের কর্মকাণ্ড ও কর্মসূচি সম্পর্কে তাদের অবহিত করতে হবে। নেতাকর্মীরা জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকলে কেউ অনৈতিক চিন্তা করার সুযোগ পাবে না।
তিনি বলেন, বিএনপি একটি জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল হিসেবে জনগণের কাছে যে অবস্থান তৈরি করেছে, তার পেছনে দলটির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড রয়েছে। তারা নারীর ক্ষমতায়ন ও দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে যে কাজ করেছেন, সেগুলোই বিএনপির জনপ্রিয়তা বাড়িয়েছে।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, এখন তাদের সুযোগ্য পুত্র তারেক রহমান সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে নতুন কিছু কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছেন, যা জনগণের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। দলের নেতাকর্মীরা এসব কর্মসূচি বাস্তবায়নে সহযোগিতা করবেন এবং তা জনগণের কাছে তুলে ধরবেন। এর মাধ্যমে বিএনপির জনপ্রিয়তা আরো বাড়বে।
দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সারা দেশে যারা দলের নাম ভাঙিয়ে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত হতে পারেন, তাদের সতর্ক হতে হবে। আপনারা অনৈতিক কাজে যুক্ত না হয়ে গঠনমূলক কাজে যুক্ত থাকবেন এবং দলকে শক্তিশালী করবেন। একই সঙ্গে দলের নেতাকর্মীদের জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করার চেষ্টা করতে হবে।
তিনি আরো বলেন, স্থানীয় পর্যায়ে ইউনিয়ন, উপজেলা, থানা ও জেলা পর্যায়ের নেতারা সবকিছু যাচাই-বাছাই করে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে যোগ্য প্রার্থীকে সমর্থন দেবেন। দলীয় প্রতীকে এখন আর নির্বাচন হবে না। দলের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা দল-সমর্থিত প্রার্থীকেই সমর্থন দেবেন।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, জনগণের পক্ষে, জনগণের স্বার্থে এবং জনগণের জন্য কাজ করলে সেই দলের সরকার কখনো ব্যর্থ হবে না। সেই সরকার জনগণমুখী সামাজিক সরকার হিসেবে জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকে।
এ সময় পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানী, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম এবং বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেলসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।










