বিদেশে অভিবাসীর সংখ্যায় বাংলাদেশের উপরে আছে মাত্র পাঁচটি দেশ। তবে অভিবাসীদের পাঠানো আয়ে প্রথম ১০টি দেশের মধ্যে নেই। রেমিট্যান্স আয়ে বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বে ১১তম। আবার উদ্বাস্তু জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দেয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থান সবার উপরে।
জাতিসংঘের অভিবাসনবিষয়ক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন (আইওএম) তাদের ওয়ার্ল্ড মাইগ্রেশন রিপোর্ট ২০২০ সম্প্রতি প্রকাশ করেছে। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসকারী প্রবাসীর সংখ্যা ২৭ কোটি ২০ লাখ। এর মধ্যে ৭৮ লাখ প্রবাসী নিয়ে ষষ্ঠ অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। ২০১৭ সালে বাংলাদেশী প্রবাসীর সংখ্যা ছিল ৭০ লাখ। সে সময় প্রবাসীর সংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল পঞ্চম।
আইওএম বলছে, বিশ্বব্যাপী প্রবাসীর সংখ্যা সাম্প্রতিক বছরগুলোয় দ্রুতহারে বেড়েছে। চলতি বছর এটি ২৭ কোটি ২০ লাখে দাঁড়িয়েছে। বিদেশে যারা যান, তারা মূলত ভালো কর্মসংস্থান আর ভালো পারিশ্রমিকের জন্য যান। এ প্রবণতা মূলত ভারত, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের নাগরিকদের মধ্যেই বেশি লক্ষ্য করা যায়। এর বাইরেও লেখাপড়ার জন্য এসব দেশের বহু মানুষ বিদেশে পাড়ি জমান।
খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রতি বছর সাত থেকে আট লাখ বাংলাদেশী বিভিন্ন দেশে চাকরি নিয়ে যাচ্ছেন। এর বড় অংশই দালালদের মাধ্যমে গ্রাম থেকে আসা অদক্ষ জনগোষ্ঠী। দক্ষতার অভাবে বিদেশে গিয়ে অনেক কম বেতনে কাজ করতে হচ্ছে তাদের। এর প্রভাব পড়ছে রেমিট্যান্স আয়ে।
আইওএমের উপাত্ত বলছে, ২০১৮ সালে গোটা বিশ্বে প্রবাসী আয়ের পরিমাণ ছিল ৬৮ হাজার ৯০০ কোটি ডলার, যা তার আগের বছরের চেয়ে ৯ শতাংশ বেশি। বর্তমানে রেমিট্যান্স আয়ের দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান ১১তম। গত বছর বাংলাদেশে মোট ১ হাজার ৫৬০ কোটি ডলার পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। যদিও ২০১৫ সালেও প্রবাসী আয়ে শীর্ষ দশেই ছিল বাংলাদেশ।
প্রবাসী আয়ে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে ভারত। গত বছর বিভিন্ন দেশে বসবাসরত দেশটির নাগরিকরা ৭ হাজার ৮৬১ কোটি ডলার পাঠিয়েছেন নিজ দেশে। ২০১৮ সালে চীনের প্রবাসী আয়ের পরিমাণ ছিল ৬ হাজার ৭৪১ কোটি ডলার, যা দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। তৃতীয় অবস্থানে আছে মেক্সিকো। রেমিট্যান্স থেকে তাদের বার্ষিক










