সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি মানবিক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তিনি বলেন, সমাজের পিছিয়ে থাকা মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের কাজের পরিধি অনেক বিস্তৃত।

আজ মঙ্গলবার আগারগাঁওয়ে সমাজসেবা কার্যালয়ের সভাকক্ষে সমাজসেবা অধিদপ্তরের কার্যক্রমের ক্রমবিকাশ নিয়ে বিভাগীয় পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয় সভায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, অতীতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগের অভাবে দেশের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জীবনমান প্রত্যাশিতভাবে উন্নত হয়নি। সমাজসেবা কার্যক্রমও যথাযথভাবে পরিচালিত হয়নি।

তিনি বলেন, সমাজের অবহেলিত মানুষকে কর্মক্ষম হিসেবে গড়ে তোলা সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব। এ জন্য তাদের বিভিন্ন পেশাভিত্তিক প্রশিক্ষণের পাশাপাশি ভাষা শিক্ষার প্রশিক্ষণের ওপরও গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে, যাতে তারা নিজেদের কর্মক্ষম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারেন।

পরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, আসন্ন বাজেটে পরিবার কার্ড, কৃষক কার্ড ও ধর্মীয় খাতে কার্যক্রমের পরিধি আরও বাড়বে। সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বরাদ্দও বৃদ্ধি করা হয়েছে। জটিল রোগের চিকিৎসার অনুদান ৫০ হাজার টাকা বাড়িয়ে দ্বিগুণ করা হয়েছে।

মন্ত্রী আরো বলেন, বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার এখন জাতীয় দায়িত্বে পরিণত হয়েছে। আগামী বছর প্রায় ৪০ লাখ ২০ হাজার মানুষকে পরিবার কার্ডের আওতায় আনা হবে। পাশাপাশি এতিম শিশুদের শুধু আশ্রয় নয়, দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যেও কাজ করছে সরকার।

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন। এছাড়া সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ, সমাজসেবা অধিদপ্তর এবং বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের অতিরিক্ত পরিচালক, পরিচালক, উপপরিচালক ও সহকারী পরিচালকরা উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন বলেন, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে অনেক প্রতিষ্ঠান থাকলেও সমন্বয়ের ঘাটতি রয়েছে। নতুন কর্মপরিকল্পনায় সমন্বয়ের ওপর জোর দিয়ে সেবার মান বাড়াতে সরকার কাজ করছে।