হেমন্তের শুরুতেই ভোরের বাতাসে ঠাণ্ডা অনুভূত হচ্ছে। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে তাপমাত্রা, বাড়ছে গরম। আবহাওয়ার এমন আচরণে যশোরে জ্বর, ঠাণ্ডা, কাশি, নিউমোনিয়া, ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। যশোর ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে শিশু ওয়ার্ডে ২৪ শয্যার বিপরীতে তিন গুণ রোগী ভর্তি রয়েছে। হাসপাতালের তথ্য মতে, অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে ঠাণ্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা ছিল মাত্র ২৫-৩০টি। চলতি সপ্তাহে তা দাঁড়িয়েছে ৮৫-৯০টিতে।
শিশু ওয়ার্ডে দায়িত্বরত সিনিয়র নার্স জোছনা পারভীন বলেন, ‘গত সপ্তাহ থেকেই ঠাণ্ডাজনিত রোগ নিয়ে বিভিন্ন বয়সের রোগীরা ভর্তি হচ্ছে হাসপাতালে। হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে ২৪টি শয্যা থাকলেও রোগীর সংখ্যা ৮৫-৯০ জন। অতিরিক্ত রোগীদের বিভিন্ন স্থানে জায়গা দিতে আমরা বাধ্য হচ্ছি। শুধু তা-ই নয়, চিকিৎসা সেবা দিতেও আমরা হিমশিম খাচ্ছি।’
ডায়রিয়া ওয়ার্ডের অবস্থাও একই। বর্তমানে ডায়রিয়া ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছে ২৭ জন। এর মধ্যে দুজন বয়স্ক, অন্যরা শিশু। শয্যা খালি না থাকায় রোগীদের ঠাঁই হচ্ছে মেঝেতে।
হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. হারুন-অর-রশীদ বলেন, ‘২৫০ শয্যার হাসপাতালে প্রতিদিন ৫৮০-৬০০ রোগী ভর্তি থাকে। তাছাড়া আউটডোরে প্রতিদিন চিকিৎসা নিচ্ছে অন্তত ১ হাজার ৮০০-২০০০ রোগী। ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি হওয়ায় রোগীদের চিকিৎসা, ওষুধ ও খাবার সরবরাহ করা আমাদের জন্য কষ্টসাধ্য হয়ে যাচ্ছে। তার পরও আমরা সাধ্যমতো চেষ্টা করে যাচ্ছি।’










