সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল ও তাসকিন আহমেদের মতো শীর্ষ ক্রিকেটাররা দলে নেই। তবু সিলেট টেস্টের প্রথম দিন কর্তৃত্ব করতে পারত বাংলাদেশ। দাপুটে ব্যাটিংয়ে নিউজিল্যান্ডকে কোণঠাসা করার সুযোগ বারবার পেলেও সেটি কাজে লাগাতে পারেনি স্বাগতিকরা। বরং অতিথি দলটিকে বারবার ফেরার সুযোগ করে দিল নাজমুল হোসেন শান্তর দল। আক্ষেপের এই দিন শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৮৫ ওভারে ৯ উইকেটে ৩১০ রান।
অথচ স্কোরটা হতে পারত ৪/৫ উইকেটে ৩৪০ বা ৩৫০ রান। কিন্তু কোনো পার্টনারশিপই বড় হলো না। সুযোগ হেলায় হারালেন ক্রিকেটাররা। ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয় দারুণ ব্যাটিংয়ে ১৬৬ বলে ৮৬ রান করে দলকে সম্মানজনক সংগ্রহ এনে দিতে বড় ভূমিকা রাখেন। আর কেউ ফিফটি না পেলেও তার গড়ে দেয়া ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে মিডল অর্ডার ও টেল-এন্ডের চেষ্টায় দল পায় তিনশ রানের পুঁজি। শরিফুল ১৩ ও তাইজুল ৮ রানে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন গতকাল।
উদ্বোধনী জুটিতে জাকির হাসান ও মাহমুদুল ৩৯ রান তুলেছেন। ৪১ বলে ১২ রান করে স্পিনার আজাজ প্যাটেলের বলে বোল্ড হন জাকির। দ্বিতীয় উইকেটে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও জয় ৭১ বলে ৫৩ রান যোগ করেন। শান্ত ৩৫ বলে ৩৭ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে সাজঘরের পথ ধরেন।
এরপর জয়ের সঙ্গে যোগ দেন সাবেক টেস্ট অধিনায়ক মুমিনুল। এ দুজন বোর্ডে ৮৮ রান তুলেছেন। এ সময় দলের সংগ্রহ ছিল ১৮০/২। তখন আবারো ফিলিপসের আঘাত। এবার তার শিকার হন মুমিনুল। তিনি উইকেটকিপারকে ক্যাচ দেন। পরের ওভারে জয়কেও ফিরিয়ে দারুণ সফলতা পায় কিউইরা। স্পিনার ইস সোধির বলে স্লিপে ড্যারিল মিচেলকে ক্যাচ দেন জয় (১৮৪/৪)। অভিজ্ঞ মুশফিকুর এদিন দলকে হতাশ করেন। ২২ বল খেলে ১২ রান করে তিনি আজাজ প্যাটেলের বলে বাজে এক শট খেলে সাজঘরের পথ ধরেন। এরপর উইকেটকিপার নুরুল হাসান (২৯), অভিষিক্ত শাহাদাত হোসেন (২৪), মেহেদী হাসান মিরাজ (২০), নাইম হাসান (১৬) ও শরিফুলের (১৩*) ব্যাটে ভর করে স্বাগতিকরা তিনশ পেরিয়ে যায়।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস: ৮৫ ওভারে ৩১০/৯ (জয় ৮৬, শান্ত ৩৭, মুমিনুল ৩৭, নুরুল ২৯; ফিলিপস ৪/৫৩)। —প্রথম দিন শেষে










