রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে যুবলীগ নেতা ইসমাইল হোসেন হত্যা মামলায় পাঁচজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া ২৩ জনের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। গতকাল দুপুর ১২টার দিকে রাজশাহীর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক অনুপ কুমার এ রায় ঘোষণা করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এন্তাজুল হক বাবু। তিনি বলেন, মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি ছিলেন ২২ জন। পরে তদন্ত শেষে আসামি হয় ৩৫ জন। মামলার রায়ে পাঁচজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া একজনকে ১০ বছর, চারজনকে ছয় মাসের এবং ১৮ জনকে এক মাসের করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় খালাস পেয়েছেন সাতজন। রায় ঘোষণার সময় ৩৩ জন আসামি কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। পলাতক রয়েছেন দুই আসামি।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন ইসমাইল উপজেলার দেওপাড়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। ওইদিন বিএনপি-জামায়াতের কর্মীরা পালপুর ভোটকেন্দ্র দখলে নিতে গেলে বাধা দেন ইসমাইল। এ সময় তাকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে আহত করে হামলাকারীরা। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী বিজলা বেগম ২২ জনের নাম উল্লেখ করে গোদাগাড়ী মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় ৩২ জন সাক্ষী ছিলেন। এর মধ্যে ২২ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন আদালত।