সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান অধ্যাপক ড. আলী রীয়াজ বলেছেন, ‘সময় স্বল্পতার কারণে গণমাধ্যম সংস্কার প্রতিবেদন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে আনা সম্ভব হয়নি। জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠিত হয়েছিল ১২ ফেব্রুয়ারি, আর গণমাধ্যম কমিশনের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন জমা পড়েছিল ২৫ বা ২২ মার্চ।‘
রোববার (৩১ আগস্ট) রাজধানীর ডেইলি স্টার সেন্টারে প্রস্তাবিত গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন প্রতিবেদন নিয়ে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন ড. আলী রীয়াজ। ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার (বিজেসি) এ সভার আয়োজন করে।
বাংলাদেশের গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং পেশাদারিত্ব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে ড. আলী রীয়াজ বলেন, ‘গণমাধ্যমকে শক্তিশালী ও কার্যকর করতে হলে দুটি বিষয়ে অবিলম্বে সংস্কার প্রয়োজন। স্বাধীনতা এবং পেশাদারিত্ব। স্বাধীনতার প্রশ্নে গণমাধ্যমগুলো কি সত্যিই 'ফোর্থ স্টেট' (চতুর্থ স্তম্ভ) হিসেবে কাজ করতে পারছে? তারা কি ক্ষমতাকে প্রশ্ন করার স্বাধীনতা রাখে, যা একটি শক্তিশালী গণমাধ্যমের জন্য অপরিহার্য?’
তিনি বলেন, পেশাদারিত্বের ক্ষেত্রে পেশাগত মান এবং প্রাতিষ্ঠানিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা জরুরি। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশে ঝুঁকিপূর্ণ জায়গায় কাজ করার জন্য সাংবাদিকদের কোনো সেফটি ট্রেনিং দেয়া হয় না, যা আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোর জন্য একটি আবশ্যিক বিষয়। স্বাধীনতার ৫৩ বছর পরেও এই মৌলিক সুরক্ষার অভাব নিয়ে প্রশ্ন তোলেন ড. আলী রীয়াজ।










