বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে সরকারি খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল কম দেয়ার অভিযোগে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী মিজানুর রহমানের সমর্থকদের হামলায় ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম বাদশাসহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। গতকাল দুপুরে মোড়েলগঞ্জ উপজেলার জিউধরা ইউনিয়নের ডেউয়াতলা বাজারে চাল বিতরণের সময় এ হামলার ঘটনা ঘটে।
আহতদের মধ্যে অন্যতম খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ডিলার রেহেনা বেগম, উপকারভোগী মিঠুরানী, অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূ লিপি আক্তার, ইলিয়াস হাওলাদার, কৃষ্ণ মাস্টার, নাদিরা বেগম, ইসহাক হাওলাদার, ইলিয়াস হাওলাদার, এনায়েত হাওলাদার। এদের মধ্যে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূ লিপি আক্তারসহ গুরুতর আহত চার-পাঁচজনকে মোড়েলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
ডিলার রেহেনা বেগমের স্বামী আরিফুল কবির বাচ্চু বলেন, দুপুরে শান্তিপূর্ণভাবে চাল দেয়া চলছিল। এ সময় ইউপি নির্বাচনে জিউধরা ইউনিয়নের স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী মিজানুর রহমানের সমর্থক মাসুদ রানা ও সেলিমের নেতৃত্বে ৩০-৩৫ জন অতর্কিত হামলা করে। এতে চেয়ারম্যান, আমার স্ত্রী রেহেনা পারভীনসহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়।
জিউধরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম বাদশা বলেন, নিয়ম অনুযায়ী ডিলাররা চাল বিতরণ করছিলেন। এর মধ্যে চারটি বস্তায় ১৩ কেজি চাল কম হয়। উপস্থিত সবার সঙ্গে কথা বলে ২৮ কেজি ২৫০ গ্রাম চাল দেয়ার কথা বলা হয়। উপকারভোগীরা সামান্য কম নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। এভাবে চাল দেয়া শুরু হলে হঠাৎ করে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে একদল লোক আমাদের ওপর হামলা চালায়। এতে আমি, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ডিলার রেহেনা পারভীনসহ অন্তত ২৫-৩০ জন আহত হয়। এ ন্যক্কার জনক ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।










