বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ বলেছেন, ‘যদিও বিএনপির মনোনীত প্রার্থীরই রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি, তবুও এ পদে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী ঘোষণা করেছে। এর কারণ তারা জনগণের সঙ্গে বিএনপির দ্বিচারিতা তুলে ধরতে চায়।’
আজ রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে রাষ্ট্রপতি পদের জন্য জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের মনোনীত প্রার্থী লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান অলি আহমদের পক্ষে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহের শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জয়-পরাজয় বিষয় না। এখানে বিষয় হচ্ছে আমরা একটা গণতান্ত্রিক ধারাকে সামনে নিয়ে আসছি। আমাদের আর্টিকেল ৫৯-এ বলা আছে যে, রাষ্ট্রের সর্বস্তরের রাষ্ট্র পরিচালনার ব্যবস্থা নির্বাচিত প্রতিনিধির মাধ্যমে পরিচালনা করতে হবে। রাষ্ট্রের অভিভাবক হলো রাষ্ট্রপতি। এ পদ যদি বিনা প্রতিদ্বনিতা হয়ে যায় তাহলে আমরা গণতন্ত্র চর্চা যেটা বলি সেটা কি হচ্ছে।
সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকার পর নির্বাচনে নামার কারণ জানিয়ে জামায়াতের এ নেতা বলেন, আমাদের নির্বাচনে অংশ নেয়ার মূল লক্ষ্য হচ্ছে বিএনপি রাষ্ট্রের সঙ্গে, জনগণের সঙ্গে যে দ্বিচারিতা করেছে আমরা সেটা জাতির সামনে আনতে চাই। আমাদের একটা গণভোট হয়েছে। সে গণভোটের রায়টা বিএনপি বাস্তবায়ন করেনি।
কর্ণেল অলির মনোনয়ন ফরম সংগ্রহের সময় উপস্থিত ছিলেন, জামায়াতের সংসদ সদস্য কর্নেল (অব) আব্দুল বাতেন, কামাল হোসেন, রাশেদুল ইসলাম, নূরুন্নিসা সিদ্দীকা, মারজিয়া বেগম, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, এলডিপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বিল্লাল মিয়াজী, জাগপার সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মহাসচিব মুফতি ফখরুল ইসলাম ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ ফয়সাল।










