দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাচঞ্চলের ২১ জেলার মানুষের যাতায়াতের অন্যতম প্রবেশদ্বার পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌ রুট। এই নৌ রুটে বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) দুপুরের পর থেকে বেড়েছে ঈদে ঘরমুখী মানুষ ও যানবাহনের চাপ। তবে চাপ বাড়লেও নেই কোনো ভোগান্তি। একই ভাবে পার হয়ে যাচ্ছে কোরবানির পশুবাহী ট্রাকও।
দুর্ভোগ ছাড়া নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে পারাপার হতে পারায় খুশি যাত্রীরা। তারা বলেন, পদ্মা সেতু চালু হওয়ার আগে ভোগান্তি ছিল নিত্যদিনের। কিন্তু এখন কোনো ভোগান্তি ছাড়াই নির্বিঘ্নে পার হতে পারছে ঘরমুখো মানুষ ও যানবাহন।
পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ঈদে ঘরমুখো যাত্রী ও যানবাহনের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে একসঙ্গে কাজ করছে বিআইডাব্লিউটিসি, বিআইডাব্লিউটিএ, জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্টরা। এবার ঘরমুখো মানুষ ও যানবাহন পারাপারে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ও আরিচা-কাজিরহাট নৌ রুটে রয়েছে বড় ছোট ২০টি ফেরি ও ৩০টি লঞ্চ।
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ গোলাম আজাদ খান বলেন, ঘাট এলাকা এবং মহাসড়কে আইনশৃঙ্খলা পরিরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিপুলসংখ্যক পুলিশ কাজ করছে।
ঈদে ঘরমুখো মানুষ ও যানবাহন পারাপারে সকল প্রস্তুতি রয়েছে। নৌ রুটে পর্যাপ্ত সংখ্যক ফেরি থাকার কারণে বড় ধরনের কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে তেমন কোনো সমস্যা হবে না বলে জানিয়েছেন বিআইডব্লিউটিসি আরিচা কার্যালয়ের ডিজিএম শাহ খালিদ নেওয়াজ।
এদিকে সার্বক্ষণিক মেডিক্যাল ক্যাম্প করার পাশাপাশি মলম পার্টি কিংবা কোনো অসাধু চক্র যাতে যাত্রীদের হয়রানি না করতে পারে, তার জন্য ঘাট ও মহাসড়কে মোবাইল কোর্ট নিয়োজিত থাকাসহ সকল প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক রেহেনা আকতার।










