বাগেরহাটে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও হামলায় অন্তত ২৭ জন আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে পাঁচজনকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যরা স্থানীয় ও বাগেরহাট সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। গতকাল দুপুরে ও শুক্রবার রাতে মোড়েলগঞ্জ উপজেলার তেলিগাতী, হোগলাবুনিয়া ও বনগ্রাম ইউনিয়নে পৃথকভাবে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।

তেলিগাতী ইউনিয়নের স্বতন্ত্র চেয়ারম্যানপ্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম বলেন, শুক্রবার রাতে তেলিগাতী বাজারের পাশে আমার নির্বাচনী অফিসে নৌকা প্রতীকের প্রার্থীর লোকজন হামলা চালায়। এ সময় পিকলু সরদার, রোমেন শেখ, সরোয়ার শেখ, হান্নান শেখ ও লুত্ফার হাওলাদার গুরুতর আহত হয়েছেন। এছাড়া আরো পাঁচজন আহত হন।

এদিকে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মোরশেদা বেগম বলেন, আনারস প্রতীকের প্রার্থীর লোকজন আমাদের ওপর হামলা চালায়। তাদের হামলায় হালিম খান, মনি খান, উজ্জল, সেলিম ও মনি শেখ গুরুতর আহত হন। এছাড়া আরো পাঁচ-ছয়জন কর্মী আহত হয়েছেন।

এদিকে শনিবার দুপুরে হোগলাবুনিয়া ইউনিয়নে আনারস প্রতীকের পোস্টার লাগানোর সময় নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মো. আকরামুজ্জামানের সমর্থকদের হামলায় তিনজন আহত হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী শামীম হাসান পলাশ।

অন্যদিকে শুক্রবার রাতে বনগ্রাম ইউনিয়নে আনারস প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল জব্বার মোল্লার বাড়িতে হামলা চালায় নৌকা প্রতীকের প্রার্থী রিপন দাসের সমর্থকরা। এতে তার তিন সমর্থক আহত হয়।

বাগেরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মীর শাফিন মাহমুদ বলেন, নির্বাচনী সহিংসতার কয়েকটি খবর পেয়েছি। সব ঘটনা তদন্ত করে দেখছি।