যশোরে সারা বছরই সবজির আবাদ হয়। বছরে ১ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে সবজি চাষ হয় জেলার বিভিন্ন এলাকায়। এখন সবজির ভরা মৌসুম। বাজারে ঘাটতি নেই। তার পরও কমছে না দাম। বাজারে দেশী নতুন পেঁয়াজের আমদানি বাড়লেও দাম এখনো স্বাভাবিক পর্যায়ে আসেনি। আলুর দাম কেজিতে কমেছে ১০ টাকা। রসুন ও কাঁচামরিচের দাম আগের মতোই আছে বলে জানিয়েছেন সবজি বিক্রেতারা।

গতকাল শহরের বড় বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি কেজি পেঁয়াজের কালি বিক্রি হয়েছে ২০ টাকা কেজি। টমেটো বিক্রি হয়েছে ৩০-৪০ টাকা কেজি। এছাড়া ওলকপি প্রতি কেজি ৩০, ফুলকপি ৪০-৫০, শিম ৬০, বাঁধাকপি ২০, প্রতি কেজি পালংশাক ২০, মেটে আলু ৫০-৬০, বেগুন ৬০-৭০, উচ্ছে ৮০, প্রতি কেজি বরবটি বিক্রি হয়েছে ১০০ টাকা দরে। পটল ৬০ টাকা, কুমড়া ৪০, কলা ৩০, প্রতি কেজি কচুরলতি ৫০, মূলা ২০, ঢেঁড়শ ১০০, ঝিঙে ৫০-৬০ টাকা দরে। প্রতি কেজি ব্রকো বিক্রি হয়েছে ৫৫-৬০ টাকা কেজি দরে। কেজিতে ১০ টাকা কমেছে আলুর দাম। অন্যদিকে পেঁয়াজের দাম কেজিতে বেড়েছে ১০ টাকা। প্রতি কেজি দেশী নতুন পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৭৫-৮০ টাকায়, যা তিন মাস আগেও ছিল ৪৫ টাকা। ২৮০-৩০০ টাকা কেজি ছিল দেশী রসুন। প্রতি কেজি আমদানীকৃত রসুন ২৬০ টাকা কেজি। ৫০ টাকা কেজি বিক্রি হয়েছে আলু। প্রতি কেজি কাঁচামরিচ বিক্রি হয়েছে ৮০ টাকা।

মুদি দোকানি সঞ্জিত সাহা বলেন, ‘বাজারে সরকার নির্ধারিত দামে পাওয়া যাচ্ছে ভোজ্যতেল। প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ১৭০ টাকা দরে। একই দামে বিক্রি হচ্ছে খোলা সয়াবিন। প্রতি কেজি সুপার পাম ওয়েল বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকা দরে। ১৩৫ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে পাম ওয়েল।’

দাম অপরিবর্তিত আছে চালের। প্রতি কেজি স্বর্ণা চাল বিক্রি হয়েছে ৪৬-৪৮ টাকা। বিআর-২৮ বিক্রি হয়েছে ৫০-৫২ টাকা। বিআর ৪৯-চাল বিক্রি হয়েছে ৫০-৫২ টাকা। ৪৮-৫২ টাকা কেজি বিক্রি হয়েছে বিআর-১০ চাল। প্রতি কেজি মিনিকেট চাল বিক্রি হয়েছে ৫৪-৫৬ টাকা দরে। ৬৬-৬৮ টাকা কেজি বিক্রি হয়েছে বাংলামতি চাল।

এছাড়া প্রতি কেজি দেশী মসুর ডাল বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকা দরে। আমদানীকৃত মসুর ডাল ১১০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি ছোলার ডাল বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকা। ৬০-৬৫ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে বুটের ডাল। প্রতি কেজি মুগের ডাল বিক্রি হচ্ছে ১০০-১৩০ টাকা দরে।