সরকারের প্রতি স্বাস্থ্য খাতে অর্থায়ন বাড়ানোর আহ্বান জানিয়ে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও ন্যাশনাল টেলিহেলথ সার্ভিসেসের সিইও ডা. নিজাম উদ্দীন আহম্মেদ বলেছেন, ‘স্বাস্থ্যে বরাদ্দ রাখা হয় আমাদের জিডিপির এক শতাংশের কম। এতে চিকিংসার জন্য নাগরিকের পকেট কাটা যাচ্ছে। জনগণের পকেট বাঁচাতে সরকারের অর্থায়ন বাড়াতে হবে।’
রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ে শনিবার (৩০ আগস্ট) বণিক বার্তা আয়োজিত ‘বাংলাদেশ হেলথ কনক্লেভ-২০২৫’-এ দেয়া বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি। ‘উন্নত স্বাস্থ্যসেবা সমৃদ্ধ দেশ’ শীর্ষক প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত হয়েছে এ সম্মেলন।
ডা. নিজাম উদ্দীন আহম্মেদ বলেন, ‘আমাদের প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা ভেঙে পড়েছে। এখানে আরো নজর দিতে হবে। বিদেশনির্ভরতা কমিয়ে দেশীয় চিকিৎসার ওপর আস্থা তৈরি করতে হবে। গত এক বছরে বিদেশে চিকিৎসা নিতে যাওয়া কমেছে। আগে বছরে ১৪ লাখ মানুষ চিকিৎসা নিতে বাইরে যেত। তখন কতজন মানুষ মারা গেছে, ভারতে ভিসা বন্ধ করার পর কতজন মারা যাচ্ছে— তা নিয়ে গবেষণার তথ্য আমাদের কাছে আছে। দেশী চিকিৎসা সেবার ওপর আস্থা বাড়াতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘গত ৫০ বছরে শিশুমৃত্যুর হার ৭৫ শতাংশ কমেছে। আমাদের গতানুগতিক ধারা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মীদের দক্ষতা আরো বাড়াতে হবে। বছরে বিভিন্ন রোগে ৯ লাখ মানুষ মারা যায়। এর ৬৭ শতাংশই (প্রায় ৭ লাখ) মারা যায় অসংক্রামক রোগে। শুধু সংক্রামক রোগের দিকে নজর দিলে হবে না। অসংক্রামক রোগ নিয়েও ভাবতে হবে। অ্যান্টিবায়োটিকের কার্যকারিতা কমে যাচ্ছে। এখানে গবেষণা বাড়াতে হবে।’










