যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দরে শুল্ক ফাঁকির উদ্দেশ্যে মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে আতা ফলের সঙ্গে পারসিমন নামের আরেকটি ফল আমদানির অভিযোগে একটি পণ্য চালান জব্দ করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। এ বিষয়ে অভিযুক্ত আমদানিকারক ও সিঅ্যান্ডএফ ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে কাস্টমস আইনে মামলা ও জরিমানা করা হয়েছে।
বুধবার রাত ১১টার দিকে বেনাপোল কাস্টম হাউজের সদস্যরা বন্দরের ৩১ নম্বর ইয়ার্ড মিথ্যা ঘোষণার এ চালানটি জব্দ করেন।
অভিযুক্ত আমদানিকারক প্রভা এন্টারপ্রাইজ এবং শুল্ক ফাঁকি দিয়ে পণ্য চালানটি ছাড় করছিল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট আমেনা এন্টারপ্রাইজ।
বেনাপোল কাস্টম হাউজের রাজস্ব কর্মকর্তা জাহিদুর রহমান জানান, তাদের কাছে গোপন খবর আসে মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে আতা ফলের সঙ্গে পারসিমন নামের চড়া মূল্যের একটি ফল পাচার করছেন দুর্নীতিবাজ ব্যবসায়ীরা। এ সময় কাস্টমসের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের উপস্থিতিতে অভিযান চালিয়ে ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়। অনিয়মের সম্পৃক্ততার সঙ্গে জড়িত থাকায় সিঅ্যান্ডএফ ও আমদানিকারকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। বর্তমানে পণ্য চালানটি বন্দরের ৩১ নম্বর ইয়ার্ডে জব্দ করে রাখা হয়েছে।
এদিকে সাধারণ ব্যবসায়ীরা জানান, বাণিজ্যিক নিরাপত্তায় বন্দরে স্ক্যানিং মেশিন রয়েছে। কিন্তু সেটি প্রায় এক মাস অচল হয়ে পড়ে থাকায় বৈধ বাণিজ্যে অনিয়মের সুযোগ পাচ্ছেন আমদানিকারকরা। এতে সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব।
এর আগেও বন্দরে বৈধ আমদানি পণ্যের সঙ্গে মিথ্যা ঘোষণার শাড়ি, থ্রিপিছ, ফেনসিডিল ও গাঁজাসহ বিভিন্ন ধরনের পণ্য জব্দ করেছে কাস্টমস।










