ঈদের ছুটির পর আবারো দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়েছে। বন্দরে আজ রোববার পাইকারিতে পেঁয়াজের দাম কমেছে কেজিতে তিন থেকে চার টাকা করে। ঈদের আগে ইন্দোর জাতের পেঁয়াজ ২৭ থেকে ২৮ টাকা বিক্রি হলেও বর্তমানে তা কমে ২৩ থেকে ২৪ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আর নাসিক জাতের পেঁয়াজ বর্তমানে ২৬ থেকে ২৭ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। 

হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ ব্যবসায়ী রেজাউল ইসলাম জানান, সরকার পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি না দেয়ায় গত ৫ মে থেকে হিলিসহ দেশের সবগুলো স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি পুরোপুরি বন্ধ ছিল। সম্প্রতি দেশের বাজারে দেশীয় পেঁয়াজের সরবরাহ কমে গিয়ে দাম অস্থিতিশীল হতে শুরু করলে গত ৪ জুলাই পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেয় সরকার। এর ফলে দুমাস বন্ধের পর গত ৫ জুলাই থেকে হিলিসহ দেশের সবগুলো বন্দর দিয়ে আবারো পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়। 

তবে তিনি জানান, সাপ্তাহিক ছুটি ও ঈদের কারণে গত ৮ জুলাই থেকে ১৫ জুলাই পর্যন্ত টানা ৮দিন হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি রফতানি বন্ধ ছিল। এতে করে ঈদের সময়ে দেশের বাজারে চাহিদার তুলনায় পণ্যটির সরবরাহ কমায় দামবেড়ে গিয়েছিল। ছুটি শেষে গতকাল শনিবার থেকে আবারো হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়। এতে করে দেশের বাজারে পণ্যটির সররবাহ বাড়ায় দাম কমতে শুরু করে। বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি অব্যাহত থাকলে দাম বাড়ার সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছেন তিনি।

হিলি স্থলবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন জানান, সাপ্তাহিক ছুটি ও ঈদুল আযহা উপলক্ষে টানা ৮ দিন বন্ধের পর গতকাল শনিবার থেকে পুণরায় বন্দর দিয়ে আমদানি রফতানি শুরু হয়েছে। গতকাল একদিনেই বন্দর দিয়ে ২৮টি ট্রাকে ৭৮৩ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। আজও বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি অব্যাহত রয়েছে। এটি যেহেতু কাচামাল তাই কাস্টমসের সকল প্রক্রিয়া শেষে আমদানিকারকরা যেন দ্রুত খালাস করে নিতে পারেন এজন্য বন্দর কতৃপক্ষ সবধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করে রেখেছে বলে জানিয়েছেন তিনি।