ঢাকার বস্তি এলাকাগুলোতে মোবাইল যক্ষ্মা স্ক্রিনিং কার্যক্রম সম্প্রসারণে জাপান ১ লাখ ৪৫ হাজার ডলার দেবে। এর মাধ্যমে বছরে প্রায় নয় হাজার মানুষ রোগ নির্ণয়সেবার আওতায় আসবে এবং আগে শনাক্ত না হওয়া রোগীদের চিকিৎসাসেবার আওতায় আনা হবে।
গতকাল দূতাবাসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি মঙ্গলবার জাপান দূতাবাসে আইসিডিডিআর,বির সঙ্গে অনুদান চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
জাপানের গ্রাসরুটস হিউম্যান সিকিউরিটি প্রজেক্টস (জিজিপি) কর্মসূচির আওতায় এ সহায়তা দেয়া হচ্ছে। প্রকল্পের আওতায় আইসিডিডিআর,বি একটি টয়োটা ল্যান্ড ক্রুজার ও একটি ফুজিফিল্মের বহনযোগ্য ডিজিটাল এক্স-রে ইউনিট সংগ্রহ করবে। ফলে মোবাইল স্ক্রিনিং দলগুলো স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার সুযোগ সীমিত, এমন জনগোষ্ঠীর কাছে সরাসরি যক্ষ্মা স্ক্রিনিং সেবা পৌঁছে দিতে পারবে।
এ উদ্যোগের মাধ্যমে যক্ষ্মা রোগ দ্রুত শনাক্ত ও চিকিৎসা করা এবং সংক্রমণের বিস্তার রোধে সহায়তা পাওয়ার আশা করা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত সাইদা বলেন, ‘জাপান মানবনিরাপত্তা, মানুষের জীবন ও মর্যাদা রক্ষাকে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়। এ প্রকল্পের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন মানুষের কাছে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিয়ে সেই অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করা হবে।’
এ উদ্যোগে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবায় প্রবেশাধিকার উন্নত করতে আইসিডিডিআর,বির জনস্বাস্থ্যবিষয়ক দক্ষতার সঙ্গে জাপানি প্রযুক্তির সমন্বয় করা হবে।
অনুষ্ঠানে টয়োটা শুশো করপোরেশনের ভাইস চেয়ারম্যান ইচিরো কাশিতানিও উপস্থিত ছিলেন।










