জাপানে তৈরি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের রিকন্ডিশন
গাড়ি নিয়ে মোংলা বন্দরে খালাস করেছে মালয়েশিয়ার পতাকাবাহী বাণিজ্যিক জাহাজ ‘এমভি মালয়েশিয়া
স্টার’। এক হাজার ১১১টি গাড়ি নিয়ে সিঙ্গাপুর বন্দর ছাড়ে জাহাজটি। এরপর মোংলা ও চট্রগ্রাম
বন্দরের উদ্দেশে বাংলাদেশে প্রবেশ করে গত ৯ সেপ্টেম্বর।
মোংলা বন্দরে খালাসের জন্য এ চালানে
রয়েছে ৭৯৫টি গাড়ি। গত শুক্রবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকালে বন্দরের ৭ নম্বর জেটিতে জাহাজটি
নোঙর করে। গাড়ি খালাসের পর গতকাল শনিবার দুপুরে বন্দর ত্যাগ করে। আমদানীকারকরা বলছেন,
এ আমদানির মধ্য দিয়ে বন্দরের রাজস্ব আয় বাড়বে।
বন্দর ও আমদানিকারকরা জানান, জাপানের
নাগোয়া, ইয়োকোহামা ও ওসাকা বন্দর থেকে এক্সিও, প্রিমিও, এলিয়ন, অ্যাকুয়া, প্রাডো ও মিনিবাসসহ
একাধিক ব্র্যান্ডের গাড়ি প্রথমে এনে রাখা হয় সিঙ্গাপুরে। সেখান থেকে বাংলাদেশের
পথে রওয়ানা দেয়।
মোংলায় নোঙর করার আগের দিন গত ১৪ সেপ্টেম্বর
বিকালে এমভি মালয়েশিয়া স্টার চট্রগ্রাম বন্দরে ৩১৬টি গাড়ি খালাস করে।
স্থানীয় শিপিং এজেন্ট মেসার্স ট্রাস্ট
অটো কার কোম্পানী লিমিটেডের ব্যবস্থাপক সাইফুল ইসলাম সম্রাট বলেন, পদ্মা সেতু চালু
হওয়া আর সড়ক পথে অবকাঠামোগত উন্নতি হওয়ায় ঢাকার সঙ্গে মোংলা বন্দরের দুরত্ব কমেছে আগের
তুলনায় অর্ধেকেরও কম। আগে ঢাকায় পৌছাতে সময় লাগত ১২-১৪ ঘণ্টা। এখন মাত্র ৩ ঘণ্টায় ঢাকায়
পৌছানো যায়। দেশের বড় বড় প্রকল্পের মেশিনারিজ এখন বেশির ভাগই মোংলা বন্দর দিয়ে খালাস
হচ্ছে। এতে সময় ও অর্থ সাশ্রয় হচ্ছে।
২০০৯ সালের ৩ জুন হক্স-বে অটোমোবাইল
কোম্পানি প্রথম ২৫৫টি রিকন্ডিশন্ড গাড়ি আমদানির মধ্য দিয়ে মোংলা বন্দরে গাড়ি রাখার
কার্যক্রম শুরু হয়। আর এখন দেশের আমদানি গাড়ির ৭০ শতাংশ এ বন্দর দিয়েই হচ্ছে।









