ডাচ-বাংলা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিবিসিসিআই) ও লিমরা এক্সহিবিশনস-এর যৌথ উদ্যোগে ‘উন্নত, টেকসই ডাচ কৃষি প্রযুক্তি ও বাংলাদেশে কৃষির পরিসর, জলবায়ু ঝুঁকি এবং অ্যাগ্রো-প্রসেসিং সীমাবদ্ধতার সেতুবন্ধন’ শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২২ নভেম্বর) আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটি বসুন্ধরার (আইসিসিবি)– নবরাত্রি হল-৪ এ সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে বাংলাদেশ ও নেদারল্যান্ডসের কৃষি বিশেষজ্ঞ, গবেষক, নীতিনির্ধারক, অ্যাগ্রিবিজনেস নেতা ও কূটনীতিকরা একত্রিত হন।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, নেদারল্যান্ডসে বাংলাদেশ দূতাবাস, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, শের-ই-বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও উভয় দেশের কৃষি খাতের অংশীজনদের সহযোগিতায় সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-গবেষক, উন্নয়ন সংস্থা, বেসরকারি খাতের প্রতিনিধি, ডিবিসিসিআ ‘র বোর্ড সদস্য ও গণমাধ্যমকর্মীরা এ অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

সেমিনারে টেকসই কৃষি, জলবায়ু সহনশীলতা ও অ্যাগ্রি–ভ্যালু চেইন উন্নয়নে আলোচনা করেন শের-ই-বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর ড. মো. আশাবুল হক, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. গোলাম মাহবুব, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শামসুল আলম ভূঁইয়া, জলবায়ু ও দুর্যোগ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং খাদ্য নিরাপত্তা মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন পরামর্শক ও নীতি বিশ্লেষক সঞ্জিব কুমার সাহা।

সেমিনারে উদ্ভাবন ও অংশীদারত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশের কৃষির রূপান্তর, সকল কৃষকের জন্য কৃষি, জলবায়ু-স্মার্ট কৃষি: নেদারল্যান্ডসের অভিজ্ঞতা ও বাংলাদেশের জন্য শিক্ষা বিষয়ক উপস্থাপনা নিয়ে আলোচনা করেন অতিথিরা।

আয়োজনের প্রধান আকর্ষণ ছিল ‘টেকসই কৃষি উন্নয়নে যৌথ পথরেখা: সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনা। এতে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, শের-ই-বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল, দুই দেশের বেসরকারি খাত ও উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিরা মতবিনিময় করেন। অংশগ্রহণকারীরা উন্মুক্ত আলোচনায় কৃষি উদ্ভাবন, অ্যাগ্রো-প্রসেসিং-এর সীমাবদ্ধতা, প্রযুক্তি হস্তান্তর ও জলবায়ু-স্মার্ট কৃষি প্রযুক্তি নিয়ে মতামত দেন।

সেমিনারের সমাপনী বক্তব্য দেন ডিবিসিসিআই-এর চেয়ারম্যান সাইফ উদ্দৌল্লাহ।