ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সম্ভাব্য প্রার্থীদের ঋণখেলাপ সংক্রান্ত তথ্য যাচাই করার উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের আগে প্রার্থীদের ঋণের সঠিক তথ্য সরবরাহের অনুরোধ জানিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগকে চিঠি দিয়েছে সংস্থাটি।

আজ শনিবার (১১ এপ্রিল) ইসির উপসচিব ও সংরক্ষিত নারী আসন নির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ মনির হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

চিঠিতে বলা হয়েছে, সংবিধানের ৬৫(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আগামী ১২ মে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ লক্ষ্যে এরই মধ্যে সময়সূচি ঘোষণা করা হয়েছে।

এতে আরো উল্লেখ করা হয়, সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন পরিচালনায় জাতীয় সংসদ সংরক্ষিত মহিলা আসন নির্বাচন আইন ২০০৪ অনুযায়ী গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ ও সংশ্লিষ্ট বিধিমালা প্রয়োজনীয়ভাবে প্রযোজ্য হবে। ফলে সাধারণ আসনের মতো এ নির্বাচনেও ঋণখেলাপিদের অংশগ্রহণ ঠেকাতে সংশ্লিষ্ট বিধান কার্যকর থাকবে। এ বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের গত ২৯ ডিসেম্বরের নির্দেশনাও সংযুক্ত করা হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়, ২১ এপ্রিল বিকাল ৪টার পর মনোনয়নপত্র জমাদানকারীদের তথ্য বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্ট ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছ থেকে সংগ্রহ করবে। এরপর ২২ ও ২৩ এপ্রিলের মধ্যে মনোনয়নপত্র যাচাইয়ের আগেই ঋণখেলাপ সংক্রান্ত তথ্য রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জমা দিতে হবে।

তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ সময় ২১ এপ্রিল। ২২ ও ২৩ এপ্রিল যাচাই-বাছাই করা হবে। বাছাইয়ের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে ২৬ এপ্রিল। আপিল নিষ্পত্তি হবে ২৭ ও ২৮ এপ্রিল। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৯ এপ্রিল। প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হবে ৩০ এপ্রিল এবং ভোট গ্রহণ হবে ১২ মে।

নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, সংরক্ষিত নারী আসনের ক্ষেত্রে বিএনপি জোট পাবে ৩৬টি আসন, জামায়াত জোট পাবে ১৩টি আসন এবং স্বতন্ত্ররা পাবে একটি আসন।