দিনাজপুরের হিলিতে চাঁদাবাজির মামলায় ঘোড়াঘাট উপজেলার পালশা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও একাধিক মামলার আসামি মুইনুল মাস্টারকে (৪৫) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। 

এর আগে ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াহিদা খানমের উপর হামলার ঘটনায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদের পর ছেড়ে দেয় পুলিশ।

গতকাল রোববার দিবাগত রাত সাড়ে ৯টায় হাকিমপুর ও ঘোড়াঘাট থানা পুলিশ যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে হিলি স্থলবন্দরের সামনে থেকে মইনুল মাস্টারকে গ্রেফতার করে। তিনি ঘোড়াঘাট উপজেলার পালশা ইউনিয়নের চাটশাল গ্রামের তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে।

হাকিমপুর ও ঘোড়াঘাট থানা সূত্রে জানা যায়, ঘোড়াঘাট থানার চাঁদাবাজির মামলার পলাতক আসামি মইনুল মাস্টার হিলি স্থলবন্দরের সামনের এলাকায় অবস্থান করছেনি, এমন সংবাদের ভিত্তিতে হাকিমপুর ঘোড়াঘাট থানা পুলিশ যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে। রাতেই তাকে ঘোড়াঘাট থানায় হস্তান্তর করে হাকিমপুর থানা। 

থানা সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি ঘোড়াঘাট উপজেলার ডুগডুগি বাজার একটি মাদ্রাসা ও মসজিদের নির্মাণ কাজের জন্য দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন মইনুল মাস্টার। চাঁদা না দেয়ায় কাজ বন্ধ করে দেন তিনি। এই অভিযোগে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ মইনুলসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। এর আগেও তার বিরুদ্ধে ঘোড়াঘাট থানায় বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে। এছাড়া ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াহিদা খানমের উপর হামলার ঘটনায় পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছিল। তবে পরে তাকে ছেড়ে দেয়।

হাকিমপুর সার্কেলের (অতিরিক্ত দায়িত্ব) সহকারী পুলিশ সুপার মিথুন সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সম্প্রতি ঘোড়াঘাট থানায় তার বিরুদ্ধে একটি চাঁদাবাজির মামলা হয়েছে। ওই মামলায় তাকে রোববার রাতে হিলি স্থলবন্দর থেকে গ্রেফতার করা হয়।