ঢাকার সাভার উপজেলার আশুলিয়া ও ধামরাই উপজেলার বিভিন্ন তৈরি পোশাক কারখানার শ্রমিকরা ছাঁটাই বন্ধসহ নানা দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন। শ্রমিক বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে ১০-১৫টি পোশাক কারখানা বন্ধ ঘোষণা করেছে মালিকপক্ষ।
নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কের পলাশবাড়ী এলাকা গতকাল সকাল ৯টায় অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন জিএবি লিমিটেড ও আশপাশের কয়েকটি পোশাক কারখানার শ্রমিকরা। পরে শিল্পাঞ্চল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জিএবি লিমিটেডের এক শ্রমিক বলেন, ‘ওভারটাইম, হাজিরা বোনাস না দেয়াসহ যখন-তখন শ্রমিক ছাঁটাই করে কারখানা। গত বৃহস্পতিবার এসব দাবি জানালেও সেগুলো না মেনে কারখানা বন্ধ ঘোষণা করে মালিকপক্ষ।’
স্থানীয়রা জানান, ধামরাই উপজেলার ঢুলিভিটা এলাকায় স্নোটেক্স আউটারওয়্যার লিমিটেড কারখানার সামনে চাকরির দাবিতে বিক্ষোভ করেন চাকরিপ্রত্যাশীরা। একমি কনজিউমারস লিমিটেডের শ্রমিকরা তাদের এগ্রোভেট ও কনজিউমার ফার্মার সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করা, ফার্মার প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুসারে সব সুযোগ-সুবিধা দেয়াসহ ১৬ দফা দাবি জানিয়ে বিক্ষোভ করেন। এছাড়া স্টারলিং গ্রুপ ও নাসা অ্যাপারেলস কারখানার শ্রমিকরা বিক্ষোভ করেন।
আশুলিয়া শিল্পাঞ্চল-১-এর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সারোয়ার আলম বলেন, ‘শ্রমিকরা নানা দাবিতে বিক্ষোভ করছেন। দাবিগুলো একেক জায়গায় একেক রকম। ধামরাইয়ে স্নোটেক্স কারখানার সামনে চাকরিপ্রত্যাশীরা বিক্ষোভ করেছেন। একমি কনজিউমারস লিমিটেডেও বিক্ষোভ করেছেন শ্রমিকরা। ১০-১৫টি কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।’
মালিকপক্ষের কাছ থেকে সাড়া পাচ্ছেন না জানিয়ে এ পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘শ্রমিকরাও পুলিশের কথায় কর্ণপাত করছেন না। মালিকপক্ষের উচিত শ্রমিকদের সঙ্গে বিষয়গুলো নিয়ে দ্রুত আলোচনায় বসা এবং পরিস্থিতি সামাল দেয়া। শ্রমিকদেরও উচিত অযৌক্তিক দাবিগুলো পরিহার করা।’










