যশোরে শীতকালীন সবজির দাম কিছুটা কমেছে। তবে বাজারে নতুন পেঁয়াজ উঠলেও আগের দামে আর ফিরছে না। গতকাল প্রতি কেজি দেশী নতুন পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৮০-৯০ টাকা দরে। অপরিবির্তিত রয়েছে চাল, ডাল, আলু, রসুন, মরিচ ও ভোজ্যতেলের দাম।
শহরের বড় বাজারের মুদি দোকানি আশীষ কুমার জানান, আলু, রসুন ও মরিচের দাম আগের মতোই। ২৮০-৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে দেশী রসুন। প্রতি কেজি আমদানীকৃত রসুন ২৪০ টাকা কেজি, ৬০ টাকা নতুন ও পুরনো আলু, প্রতি কেজি মরিচ ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে প্রতি কেজি ফুলকপি বিক্রি হয়েছে ৪০-৫০ টাকা দরে। শিম ৬০, পেঁয়াজের কালি ৩০, টমেটো ৫০-৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতি কেজি ওল ৩০ টাকা, বাঁধাকপি ২৫-৩০, প্রতি কেজি পালং শাক ৩০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। মেটে আলু ৬০-৮০ টাকা, প্রতি কেজি বেগুন বিক্রি হয়েছে ৬০-৭০, ১০০ টাকা কেজি উচ্ছে, পটল ৪০, কুমড়া ৪০, কলা ৩০, কচুর লতি ৫০, মূলা ২০, ঢেঁড়স ৬০, ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে ঝিঙে ও চিচিঙ্গা।
বাজারে সরকারনির্ধারিত দামে পাওয়া যাচ্ছে ভোজ্যতেল। প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ১৭০ টাকা দরে। আবার ১৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে খোলা সয়াবিন। প্রতি কেজি সুপার পাম অয়েল বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকা দরে। ১৩৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয় পাম অয়েল।
দাম অপরিবর্তিত রয়েছে চালের। প্রতি কেজি স্বর্ণা বিক্রি হচ্ছে ৪৬-৪৮ টাকা দরে, বিআর-২৮ ৫০-৫২, বিআর-৪৯ ৫০-৫২, বিআর-১০ ৪৮-৫২, মিনিকেট ৫৪-৫৬, বাংলামতি ৬৬-৬৮ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
বাজারে ডালের দাম বাড়েনি। প্রতি কেজি দেশী মসুর ডাল বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকা দরে। ১১০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে আমদানীকৃত মসুর ডাল। প্রতি কেজি ছোলা বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকা দরে। ৬০-৬৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে বুটের ডাল। প্রতি কেজি মুগ ডাল বিক্রি হচ্ছে ১০০-১৩০ টাকা দরে।










