চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলায় বাড়ছে মালচিং পদ্ধতিতে গ্রীষ্মকালীন তরমুজ চাষ। অল্প সময়ে ভালো ফলন ও দাম পেয়ে লাভ দেখছেন কৃষকরা। ফলে দিন দিন এ ফসলের আবাদে ঝুঁকছেন চাষীরা।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর দুই হেক্টর জমিতে আটজন কৃষক গ্রীষ্মকালীন তরমুজ চাষ করেছেন। এদের মধ্যে তিনজনকে কৃষি অফিস থেকে প্রদর্শনী দেয়া হয়েছে। বাকি পাঁচজন আগে প্রদর্শনী নিয়ে বর্তমানে নিজ উদ্যোগে চাষ করছেন। ভালো ফলন ও দাম পেয়ে খুশি তারা।
উপজেলার খৈয়াছরা ইউনিয়নের মসজিদ্দিয়া গ্রামের তরমুজচাষী মো. লিটন। তার তরমুজখেতে গিয়ে দেখা যায়, মালচিং পদ্ধতিতে তরমুজ চাষ করেছেন তিনি। খেতে ঝুলছে সবুজ, হলুদ রঙের শত শত তরমুজ। অনেকে খেতে এসে তরমুজ কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। আবার অনেকে এসেছেন গ্রীষ্মকালীন তরমুজ দেখতে।
লিটন বলেন, ‘আমি গত বছর উপজেলা কৃষি অফিস থেকে প্রদর্শনী নিয়ে গ্রীষ্মকালীন তরমুজ চাষ করেছিলাম। চলতি বছর নিজ উদ্যোগে ৫৪ শতাংশ জমিতে রসগোল্লা, রবি, বিগ-বাইট, সূর্য ডিম ও কিং সুগার জাতের তরমুজ চাষ করেছি। এতে আমার খরচ হয়েছে প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা। ফলন ভালো হয়েছে। এরই মধ্যে প্রায় ২ লাখ টাকার তরমুজ বিক্রি করেছি। আরো ৩ লাখ টাকার মতো বিক্রি করতে পারব বলে আশা করছি।’
গ্রীষ্মকালীন তরমুজ চাষের বিষয়ে জানতে চাইলে মিরসরাই উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা প্রতাপ চন্দ্র রায় বলেন, ‘চলতি বছর উপজেলায় আটজন কৃষক দুই হেক্টর জমিতে এ তরমুজ চাষ করেছেন। এদের মধ্যে প্রদর্শনীতে ছিল তিনজন। বাকিরা আগে প্রদর্শনী পেয়ে নিজ উদ্যোগে চাষ করছেন। ভালো ফলন ও দাম পাওয়ায় কৃষকরা খুশি। আগামীতে আবাদ আরো বাড়বে বলে আমি আশাবাদী।’










