চুয়াডাঙ্গার উথলী রেলওয়ে স্টেশনের অদূরে ট্রেনের চারটি বগি লাইনচ্যুত হওয়ার ১২ ঘন্টা পর খুলনার সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ শুরু হয়েছে। গতকাল রাত সাড়ে ১২টার দিকে তেলবাহী এসব বগি লাইনচ্যুত হয়ে পড়লে বিভাগীয় শহরটির সঙ্গে সব ধরনের রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। ঘটনা তদন্তে পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

উথলী রেলওয়ে স্টেশনের মাস্টার মোহাম্মদ আলী জানান, খুলনা থেকে নাটোরের উদ্দেশে ছেড়ে আসা ৩০টি বগি নিয়ে তেলবাহী ট্রেনটি রাতে উথলী রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছে। ক্রসিংয়ের জন্য ট্রেনটি ২ নম্বর লাইনে নেওয়া হয়। ক্রসিং শেষে ট্রেনটি ২ নম্বর লাইন থেকে ১ নম্বর লাইনে ঢোকার সময় এর চারটি বগি লাইনচ্যুত হয়। ফলে উথলীর পার্শবর্তী দর্শনা, আনছারবাড়ীয়া ও সাবদালপুর স্টেশনে চারটি যাত্রীবাহী ট্রেন আটকা পড়ে। বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় খুলনার সঙ্গে রেল যোগাযোগ।

এ ঘটনার পর আজ সকালে ঈশ্বরদী থেকে উদ্ধারকারী ট্রেন ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাজ শুরু করে। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বগিগুলো সরিয়ে নেয়ার পর ওই পথে রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়।

তেলবাহী বগী লাইনচ্যুত হওয়ার ঘটনায় পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ের পরিবহন কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেনকে প্রধান করে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন, পাকশী বিভাগীয় সংকেত প্রকৌশলী রাজিব বিল্লাহ, পাকশী বিভাগীয় যান্ত্রীক প্রকৌশলী (লোকো) আশিশ কুমার মন্ডল, পাকশী বিভাগীয় যান্ত্রীক প্রকৌশলী (ক্যারেজ) মমতাজুল ইসলাম ও পাকশী বিভাগীয় প্রকৌশলী (১) বিরবল মন্ডল।

তদন্ত কমিটির প্রধান আনোয়ার হোসেন বলেন, এক সপ্তাহের মধ্যে এ ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিবে হবে। সেই মোতাবেক আমরা কাজ শুরু করবো।