রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নিয়োগ দুর্নীতি ও অনিয়মের পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দেয়া ১২ নির্দেশনা দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে শিক্ষকরা। এ দাবিতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুস সোবহানকে চিঠি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ। রোববার সকাল ১০টায় উপাচার্যকে এ চিঠি দেয়া হয় বলে নিশ্চিত করেছেন প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. হাবিবুর রহমান। চিঠিতে নয় দফা সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের দাবি জানানো হয়েছে।
দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুসরণ করে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ নীতিমালা প্রস্তুত করা, মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত সব ধরনের নিয়োগ কার্যক্রম বন্ধ রাখা। নিয়োগ বন্ধসংক্রান্ত নির্দেশনা উপেক্ষা করে গত ১২ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত ৫০৩তম সিন্ডিকেট সভায় হওয়া নিয়োগ বাতিল, ফলিত গণিত বিভাগে নিয়মবহির্ভূতভাবে এক শিক্ষককে দেয়া অ্যাডহক নিয়োগ বাতিল করা।
একই সঙ্গে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা উপেক্ষা করে রেজিস্ট্রারকে অপসারণ না করে তার পদত্যাগপত্র গ্র্রহণের সিদ্ধান্ত বাতিল করে নির্দেশনার আলোকে পূর্ববর্তী রেজিস্ট্রারকে অপসারণের ব্যবস্থা করা, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটির তদন্ত কার্যক্রম দ্রুত নিষ্পত্তি করার দাবি জানানো হয়।
এদিকে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজকে উপেক্ষা করা হয়েছে দাবি করে কারণ ব্যাখ্যার দাবিও জানিয়েছেন শিক্ষকরা।
এর আগে গত ২৪ মার্চ প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের সভায় সিদ্ধান্তগুলো গৃহীত হয়।
উল্লেখ্য, গত বছর বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্নীতিবিরোধী শিক্ষকদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ইউজিসি তদন্ত চালায়। এতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম আব্দুস সোবহান, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. চৌধুরী মোহাম্মদ জাকারিয়া ও রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. এমএ বারীর বিরুদ্ধে ২৫টি অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হয়।









