একই সঙ্গে ব্যবসায়ী সমাজের মধ্যে সৃষ্ট আতঙ্ক ও ভীতি দূর করতে ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে এনবিআরের পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টির সুরাহার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনগুলো।
এনবিআরের চেয়ারম্যানের কাছে ২২ জুলাই পাঠানো এক চিঠিতে বলা হয়, কোম্পানি আইন ১৯৯৪ অনুযায়ী, করপোরেট রেকর্ডের গোপনীয়তা, বাংলাদেশ বিনিয়োগ কর্তৃপক্ষ আইন ২০১৬ অনুযায়ী, ব্যবসা পরিচালনার স্বাধীনতা ও বিনিয়োগ সুরক্ষার প্রশ্ন এবং বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩১ ও ৪২ অনুযায়ী, প্রত্যেক নাগরিকের আইনগত অধিকার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিষয় বিবেচনায় নিয়ে আয়কর আইন ২০২৩-এর ১৪৭ ধারার প্রয়োগের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন।
চিঠিতে বিজ্ঞপ্তি স্থগিত বা প্রত্যাহার এবং ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে এনবিআরের পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টির সুরাহা করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হচ্ছে।
চিঠিতে স্বাক্ষর করেন বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী (পারভেজ), বাংলাদেশ চেম্বার অব ম্যানুফ্যাকচারিং ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি মইনুল ইসলাম, তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রফতানিকারক সমিতির সভাপতি মাহমুদ হাসান খান, বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হক, ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি তাসকিন আহমেদ, ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স বাংলাদেশের সভাপতি মাহবুবুর রহমান এবং মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি কামরান টি রহমান। চিঠির অনুলিপি অর্থ মন্ত্রণালয় এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর কাছেও পাঠানো হয়েছে।










