জুলাই স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, এটা যেন দলীয় ইতিহাস চর্চার জায়গা না হয়ে, জাতীয় ইতিহাস চর্চার জায়গা হয়। আজ শনিবার সকাল ১১টার পর জাদুঘর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
তিনি আরো বলেন, এই গণভবন থেকে শেখ হাসিনা স্বৈরাচারী সব সিদ্ধান্ত নিত। মানুষকে লুটপাট, অর্থ লুটপাটসহ সব সিদ্ধান্তই নিত। অন্তর্বর্তী সরকার এটাকে জাদুঘরে রূপান্তরের পরিকল্পনা নেয়। আমরা সংসদে এবং বাইরে প্রচুর কথা বলেছি জাদুঘরটি খুলে দেয়ার জন্য। আমি এর আগেও এখানে এসেছিলাম। নির্বাচনের পরে কিছু পরিবর্তন সরকার করেছে।
এখানে সীমান্ত হত্যার সেগমেন্ট ছিল, সীমান্তে যে সব হত্যাকাণ্ড হয়েছে—সেগুলোর স্মৃতি, মোদিবিরোধী আন্দোলনের স্মৃতি সরিয়ে ফেলা হয়েছে। বিএনপির আন্দোলন সংগ্রামটাকে একটু বেশি দেখানো হয়েছে বলে জানান নাহিদ ইসলাম।
তিনি উল্লেখ করেন, বিগত ১৬ বছরে বাংলাদেশে যে ফ্যাসিবাদ- তার সঙ্গে ভারত জড়িত ছিল। বিএনপি হয়তো ভারতকে ভয় পাচ্ছে। সরকার ভাবছে, এগুলো করে তারা ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো রাখতে পারবে। ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো বা খারাপের বিষয় না। সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদাপূর্ণ।
নাহিদ আরো জানান, জুলাই অভ্যুত্থানে যে সব স্মৃতি রাখা হয়েছে সেগুলোকে আরো বিস্তারিত দেখানো উচিত। টাইমলাইন ধরে ধরে বিভিন্ন জেলায়, বিশ্ববিদ্যালয়, প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদান সবকিছুকে আনা উচিত।
এখানে কেন্দ্রীয় বা পরিচিত মুখগুলো বারবার এসেছে উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, যারা জাদুঘরের দায়িত্বে আছে তাদের আমরা বিষয়টি বলেছি। জাদুঘরে যথেষ্ট পরিমাণ জনবল নিয়োগ দেয়া হয়নি। আমরা সংসদে বলেছিলাম এটি স্বায়ত্তশাসিত জাদুঘর হওয়া উচিত। যারা জুলাই স্পিরিটকে ধারণ করেন সেই ধরনের লোকদের দিয়ে এ জাদুঘর পরিচালনা করতে হবে।
এ সময় এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেনসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।










