বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রকৌশলীসহ দুজন নিহত হয়েছেন।
শুক্রবার সকালে পণ্যবাহী ট্রাকের পেছনে মাইক্রোবাসের ধাক্কায় প্রকৌশলী এসএম মো. তৌফিকুল্লাহ (৩২) ও দুপুরে ভটভটিচাপায় বাইসাইকেলচালক কিশোর ইমরান হোসেন (১০) নিহত হয়।
হাইওয়ে পুলিশের শেরপুর গাড়িদহ ক্যাম্পের ইনচার্জ বানিউল আনাম জানান, পাবনা জেলার সাঁথিয়া উপজেলার সরিষা ভিটারচর গ্রামের এসএম সানাউল্লাহ মিয়ার ছেলে প্রকৌশলী এসএম মো. তৌফিকুল্লাহ তার মাকে সঙ্গে নিয়ে বগুড়ায় এক আত্মীয়র বাসায় বেড়াতে এসেছিলেন।
শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে বগুড়া থেকে মাইক্রোবাস যোগে ঢাকায় ফেরার পথে শেরপুর উপজেলার মির্জাপুর রানীরহাট মোড়ে পৌঁছলে তাদের বহনকারী মাইক্রোবাসচালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন।
এক পর্যায়ে ঢাকাগামী মালবাহী ট্রাকের পেছনে ওই মাইক্রোবাস ধাক্কা দেয়।
এ সময় মাইক্রোবাসে থাকা প্রকৌশলী এসএম মো. তৌফিকুল্লাহ ঘটনাস্থলেই মারা যান।
সেই সঙ্গে তার মা নাজমা বেগমও (৫৫) গুরুতর আহত হন।
স্থানীয়দের সহযোগিতায় ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে বগুড়ায় শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ভর্তি করেন।
নিহত তৌফিকুল্লাহ ঢাকায় পেট্রোবাংলায় প্রকৌশলী পদে কর্মরত ছিলেন।
অন্যদিকে বাইসাইকেলে করে শেরপুর বাজারের দিকে যাচ্ছিল উপজেলার খামারকান্দি ইউনিয়নের শুভগাছা গ্রামের রুবেল আহম্মেদের ছেলে ইমরান হোসেন।
পথিমধ্যে উপজেলার খেজুরতলায় ঢাকা-বগুড়া মহাসড়ক পার হওয়ার সময় একটি ভটভটি তাকে চাপা দেয়।
তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে মারা যায় সে।
দুর্ঘটনার পর পরই ধাওয়া করে ভটভটিসহ চালক ফারুক হোসেনকে (৩০) আটক করে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয়রা।
আটক ফারুক হোসেন উপজেলার খানপুর ইউনিয়নের চৌবাড়িয়া গ্রামের আব্দুল জব্বারের ছেলে।










