বাগেরহাটের খানজাহান আলী (রহ.) মাজার সংলগ্ন দীঘিতে থাকা কুমিরটিকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। বুধবার সকালে কুমিরটিকে ফাঁদ পেতে ধরা হয়। এরপর সেটিকে জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে সুন্দরবনে নিয়ে যাওয়া হয়। খবর বিবিসি বাংলা।

বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোসা. আতিয়া খাতুন বলেন, জননিরাপত্তার স্বার্থে অনুযায়ী মাজারের দিঘির কুমিরটি অপসারণের সিদ্ধান্ত হয়। সে অনুযায়ী খুলনার বন্যপ্রাণী উদ্ধার ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে নেয়া হচ্ছে প্রাণীটি। এ বিষয়ে পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত পরে জানানো হবে বলেও তিনি জানান।

মাজারে আগত দেশী-বিদেশী দর্শনার্থী ও ভক্তদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে গতকাল মঙ্গলবার গভীর রাতে অনুষ্ঠিত এক জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

বাগেরহাট জেলা প্রশাসক গোলাম মোহাম্মদ বাতেন জানান, সাম্প্রতিক মর্মান্তিক ঘটনার পর মাজার এলাকায় আগত দর্শনার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়েছে। পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে দীঘিতে থাকা কুমিরটিকে করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তবে কুমিরটিকে এখন খুলনার বন্যপ্রাণী উদ্ধার ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে নেয়া হয়েছে।

গত সোমবার রাত ৮টার দিকে মাজার সংলগ্ন দীঘিতে গোসল করতে নেমে আট বছর বয়সী ফাতেমা আক্তার কুমিরের আক্রমণের শিকার হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, কুমিরটি শিশুটির পা ধরে পানির নিচে টেনে নিয়ে যায়। পরে মঙ্গলবার ভোরে মাজার সংলগ্ন দীঘির মহিলা ঘাট এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।