দক্ষিণ কোরিয়ায় কিমচি আমদানি নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে ২০২২ সালে। বুধবার কোরিয়া কাস্টমস সার্ভিসে প্রকাশিত তথ্য থেকেই এমনটা জানা যায়। খবর দ্য কোরিয়া হেরাল্ড।
২০২২ সালে ঐতিহ্যবাহী কোরিয়ান খাবারটির আমদানি দাঁড়িয়েছে ১৬ কোটি ৯৪ লাখ ডলার। সরকারি তথ্য অনুসারে, আগের বছরের তুলনায় আমদানি ২০ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়েছে। বৃদ্ধির এ পরিমাণ ২০১০ সালের পর সর্বোচ্চ। সে বছরে বৃদ্ধি ছিল ৫৩ দশমিক ৮ শতাংশ।
কিমচি একটি ঐতিহ্যবাহী কোরিয়ান খাবার। বাঁধাকপি, লবণ, গোলমরিচ দিয়ে তৈরি করা হয়। প্রায় সব ধরনের খাবারের সঙ্গেই খাওয়া যায় কিমচি। পণ্যটির আমদানি বাড়ার কারণ হিসেবে স্থানীয় বাজারে বাঁধাকপি ও অন্যান্য উপাদানের মূল্যস্ফীতিকে দায়ী করছেন বিশ্লেষকরা। মূল্যস্ফীতির কারণেই স্থানীয় রেস্তোরাঁ ও রিসোর্টগুলো চীন থেকে আমদানি করা কিমচির দিকে ঝুঁকে পড়ছে। ডিসাঙ এফএনএফসহ দক্ষিণ কোরিয়ার শীর্ষস্থানীয় কিমচি প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলো গত বছরের তুলনায় প্রায় ১০ শতাংশ মূল্য বাড়িয়েছে। আমদানি করা প্রতি টন কিমচির দাম দাঁড়িয়েছে ৬৪৩ ডলার।
বিপরীতে দক্ষিণ কোরিয়ার কিমচি রফতানি কমেছে ১২ শতাংশ। ফলে এ খাতে দেশটির বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে ২ কোটি ৮৫ লাখ ৮০ হাজার ডলার। এ ঘাটতি গত চার বছরের সর্বোচ্চ।










