কোম্পানি দুটি হলো যমুনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড ও ইস্টার্ন লুব্রিক্যান্টস ব্লেন্ডার্স পিএলসি। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে গতকাল এ তথ্য জানা গেছে।

যমুনা অয়েল: কোম্পানিটির চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মো. আরফানুল হক। তিনি বর্তমানে পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের (ইএমআরডি) ৫ মার্চের চিঠি ও বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) ৮ মার্চের চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে তাকে যমুনা অয়েলের চেয়ারম্যান মনোনীত করা হয়েছে।

আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) যমুনা অয়েলের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১৯ টাকা ৬৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ২৩ টাকা ৯২ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৯১ টাকা ৬৭ পয়সায়।

সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১৮০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে যমুনা অয়েলের ইপিএস হয়েছে ৫৮ টাকা ৭০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪০ টাকা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৭৪ টাকা ৩ পয়সায়।

ইস্টার্ন লুব্রিক্যান্টস: কোম্পানিটির চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মো. ওয়াসিম জব্বার। তিনি বাংলাদেশ সরকারের সাবেক অতিরিক্ত সচিব। ৫ মার্চ থেকে চেয়ারম্যান হিসেবে তার নিয়োগ কার্যকর হয়েছে।

আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) ইস্টার্ন লুব্রিক্যান্টসের ইপিএস হয়েছে ১৯ টাকা ৫৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১৭ টাকা ৫৯ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২২৮ টাকা ৮৯ পয়সায়।

সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ৮০ শতাংশ নগদ ও ৫০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানিটির পর্ষদ।

এর মধ্যে ঘোষিত স্টক লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীদের বিও অ্যাকাউন্টসে পাঠিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে ইস্টার্ন লুব্রিক্যান্টসের ইপিএস হয়েছে ৪৩ টাকা ১৮ পয়সা, আগের হিসাব যা ছিল ২২ টাকা ৫৬ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২০৯ টাকা ৩৫ পয়সায়।