চলতি বছরের অক্টোবরে মালয়েশিয়ায় পাম অয়েল উৎপাদনে মন্দা ভাব দেখা গেছে। এ সময় দেশটিতে পণ্যটির উৎপাদন আগের মাসের তুলনায় প্রায় ৮ শতাংশ কমেছে। তবে গত অক্টোবরে মালয়েশিয়া থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে পাম অয়েল রফতানিতে প্রায় ৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি বজায় ছিল। সীমিত উৎপাদনের বিপরীতে রফতানি খাতে প্রবৃদ্ধি বজায় থাকায় অক্টোবরে মালয়েশিয়ায় পাম অয়েলের মজুদ কমে তিন বছরের বেশি সময়ের মধ্যে সর্বনিম্ন অবস্থানে নেমে এসেছে। মালয়েশিয়ান পাম অয়েল বোর্ডের (এমপিওবি) সাম্প্রতিক এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। খবর স্টার অনলাইন ও বিজনেস লাইন।

মালয়েশিয়া বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষ পাম অয়েল উৎপাদনকারী ও রফতানিকারক দেশ। এমপিওবির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ২০২০ সালের অক্টোবরে মালয়েশিয়ায় সব মিলিয়ে ১৭ লাখ ২০ হাজার টন পাম অয়েল উৎপাদন হয়েছে। আগের মাসের তুলনায় দেশটিতে পণ্যটির উৎপাদন কমেছে ৭ দশমিক ৮ শতাংশ।

চলতি বছরের অক্টোবরে মালয়েশিয়া থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে সব মিলিয়ে ১৬ লাখ ৭০ হাজার টন পাম অয়েল রফতানি হয়েছে বলে বিবৃতিতে জানিয়েছে এমপিওবি। গত সেপ্টেম্বরের তুলনায় অক্টোবরে দেশটি থেকে পণ্যটির রফতানি বেড়েছে ৩ দশমিক ৮ শতাংশ।

একদিকে উৎপাদন কমে আসা, এর বিপরীতে রফতানিতে মন্দা ভাব গত মাসে মালয়েশিয়ায় পাম অয়েলের মজুদ কমিয়ে দিয়েছে। এমপিওবির প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, অক্টোবর শেষে মালয়েশিয়ায় পাম অয়েলের সমাপনী মজুদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৫ কোটি ৭০ লাখ টনে, যা আগের মাসের তুলনায় ৮ দশমিক ৬ শতাংশ কম। ২০১৭ সালের জুনের পর এটাই মালয়েশিয়ায় পাম অয়েলের সর্বনিম্ন মজুদের রেকর্ড।