ব্রাজিল বিশ্বের শীর্ষ কফি উৎপাদক ও রফতানিকারক দেশ। চলতি বছরের জুলাইয়ে দেশটির কফি রফতানি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১২ শতাংশ কমেছে। ব্রাজিলের কফি রফতানিকারক অ্যাসোসিয়েশন সিক্যাফে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
সিক্যাফে জানায়, জাহাজীকরণ জটিলতার কারণে রফতানিতে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছে। জুলাইয়ে দেশটি সব মিলিয়ে ২৫ লাখ ১০ হাজার ব্যাগ (প্রতি ব্যাগে ৬০ কেজি) কফি রফতানি করে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, বর্তমানে ব্রাজিলের কফি রফতানি খাত বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করছে। দেশটির জাহাজীকরণ ব্যয় বাড়ছে পাল্লা দিয়ে। পাশাপাশি ক্রয়াদেশ বাতিল এবং পণ্যবাহী কার্গোগুলোতে জায়গা সংকট রফতানি খাতকে সংকুচিত করে তুলছে। সিক্যাফে জানায়, এমন পরিস্থিতিতে রফতানিকারকরা অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন।
সিক্যাফের প্রেসিডেন্ট নিকোলাস রেইডা এক বিবৃতিতে বলেন, জাহাজীকরণে দীর্ঘসূত্রতা রফতানি কার্যক্রমে জটিলতা সৃষ্টি করছে। ফলে রফতানিকারকরা অর্থনৈতিক চাপের মুখে পড়ছেন। অপ্রত্যাশিত এ সমস্যা থেকে উত্তরণের জন্য বিকল্প কোনো অর্থনৈতিক পরিকল্পনাও নেয়া হয়নি।
তিনি আরো বলেন, ভয়াবহ তুষারপাতের কারণে জুন এবং জুলাইয়ে ব্রাজিলে কফির আবাদ ব্যাপকভাবে ব্যাহত হয়। ফলে স্থানীয় বাজারে কফির দাম রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। এর মধ্যে জাহাজীকরণ ব্যয় বৃদ্ধি কফি খাতকে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।
এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল কফি অ্যাসোসিয়েশন ও সুইজারল্যান্ডের কফি ট্রেড অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে বৈঠক করেছে সিক্যাফে।










