বিশ্বের খাদ্যশস্য রফতানি বাজারে বড় হিস্যা রয়েছে আর্জেন্টিনার। তবে সম্প্রতি বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে দেশটির রফতানি খাত। খরার প্রভাবে আর্জেন্টিনার পারানা নদীর পানির স্তর কমছে। এতে করে দেশটির রফতানিকারকরা খাদ্যশস্য রফতানি কমিয়ে আনতে বাধ্য হচ্ছেন। খবর রয়টার্স ও ওয়ার্ল্ডগ্রেইনডটকম।
আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থাটির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, আর্জেন্টিনার পারানা নদীর উত্পত্তিস্থল ব্রাজিল। দেশটিতে ভয়াবহ খরা চলছে। এর প্রভাবে শুকিয়ে যাচ্ছে পারানা নদী। ফলে হাজার হাজার টন খাদ্যশস্যবাহী জাহাজ চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।
রয়টার্স জানায়, পারানা নদীর মধ্য দিয়ে আর্জেন্টিনার ৮০ শতাংশ কৃষিপণ্য আটলান্টিক মহাসাগরে পৌঁছে দেয়া হয়। সেখান থেকে বড় বড় কার্গো বোঝাই করে এসব পণ্য রফতানির উদ্দেশ্যে ক্রেতা দেশগুলোতে পাঠানো হয়। চলতি মাসে কৃষিপণ্যের মধ্যে আর্জেন্টিনার সবচেয়ে বেশি জাহাজীকরণ হয়েছে সয়াবিন ও ভুট্টা। আর্জেন্টিনার চেম্বার অব পোর্ট ও মেরিটাইম অ্যাক্টিভিটিজের ব্যবস্থাপক গ্যালেরমো ওয়েইড বলেন, পারানা নদীর পানির স্তর এরই মধ্যে জাহাজ চলাচলের জন্য গ্রহণযোগ্য সীমার ৫ ফুট নিচে নেমে গেছে। এ সমস্যা সমাধানে পরিবেশবিদরা দ্রুত নদীটি খননের দাবি জানিয়েছেন।
আর্জেন্টিনা বিশ্বের শীর্ষ সয়ামিল রফতানিকারক দেশ। এছাড়া বৈশ্বিক ভুট্টা রফতানিতে দেশটির অবস্থান তৃতীয়। নদী শুকিয়ে যাওয়ায় কৃষিসমৃদ্ধ দেশটির রফতানি কমছে। গ্যালেরমো ওয়েইড বলেন, বর্তমানে বেশি পণ্য বোঝাই করলে জাহাজগুলো নদীর তলদেশে আটকে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ফলে প্রতিটি জাহাজে স্বাভাবিকের তুলনায় ১০ হাজার টন কম পণ্য বোঝাই করা হচ্ছে।










