চলতি বছরের জানুয়ারিতে মালয়েশিয়ার সার্বিক মূল্যস্ফীতি (খাদ্য ও জ্বালানিসহ) ১ দশমিক ৫ শতাংশে স্থির আছে। অন্যদিকে কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স (সিপিআই) বেড়ে ১৩১ দশমিক ৪ পয়েন্টে পৌঁছেছে, যা এর আগের বছর ছিল ১২৯ দশমিক ৫ পয়েন্ট।খবর বারনামা।

দেশটির প্রধান পরিসংখ্যানবিদ উজির মাহিদিন জানান, কিছু খাতের নিম্ন প্রবৃদ্ধির কারণে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। খাতগুলোর মধ্যে রেস্তোরাঁ ও আবাসন পরিষেবায় ৩ দশমিক ২ শতাংশ, ব্যক্তিগত যত্ন, সামাজিক সুরক্ষা এবং বিবিধ পণ্য ও পরিষেবায় ২ দশমিক ৫, স্বাস্থ্যসেবায় ২ দশমিক ৪, খাদ্য ও পানীয় ২ এবং আবাসন, পানি, বিদ্যুৎ, গ্যাস এবং অন্যান্য জ্বালানিতে ২ শতাংশ।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘তবু পরিবহন খাত ২০২৩ সালের ডিসেম্বরের দশমিক ৩ শতাংশের তুলনায় এ মাসে দশমিক ৭ শতাংশ বেড়েছে।’ 

পরিসংখ্যান বিভাগ বলছে, মাসিক মূল্যস্ফীতি আবাসন, পানি, বিদ্যুৎ, গ্যাস এবং অন্যান্য জ্বালানির কারণে দশমিক ২ শতাংশ বেড়েছে। খাদ্য, পানীয় ও স্বাস্থ্য খাতের গড় মাসিক প্রবৃদ্ধি যথাক্রমে দশমিক ৪, দশমিক ৩ ও দশমিক ২ শতাংশ। 

চলতি বছরের জানুয়ারিতে রেস্তোরাঁ ও বাসস্থান পরিষেবা এবং খাদ্য ও পানীয় খাতের কারণে মূল্যস্ফীতির হার ১ দশমিক ৫ শতাংশ ছিল। এ দুই খাতে জানুয়ারিতে যথাক্রমে ৩ দশমিক ২ ও ২ দশমিক ৯ শতাংশ হারে বাড়ছে।

এ সময় মালয়েশিয়ার মূল্যস্ফীতি ১ দশমিক ৫ শতাংশ ছিল, যা অন্যান্য অনেক দেশ যেমন যুক্তরাষ্ট্রে ৩ দশমিক ১ শতাংশ, ফিলিপাইনে ২ দশমিক ৮, দক্ষিণ কোরিয়ায় ২ দশমিক ৮, ইউরোজোনে ২ দশমিক ৮ এবং ইন্দোনেশিয়ায় ২ দশমিক ৬ শতাংশের কম ছিল।

এসব সত্ত্বেও কিছু দেশের মূল্য সংকোচন দেখা গেছে। এদের মধ্যে থাইল্যান্ডের মূল্যস্ফীতির হার ছিল ঋণাত্মক ১ দশমিক ১ ও চীনের ঋণাত্মক দশমিক ৮ শতাংশ ছিল। 

প্রসঙ্গত, মূল্যস্ফীতি ও ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে গত বছর পর্যন্ত মালয়েশিয়ার ৫৭ শতাংশ বিনিয়োগকারী কৌশল পরিবর্তন করছিলেন।