তীব্র খরায় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে ইরানের তুলা উৎপাদন খাত। চলতি মৌসুমে দেশটির তুলা উৎপাদন হ্রাসের পূর্বাভাস মিলেছে। ইরানের কৃষি মন্ত্রণালয় প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
ইরানে তুলা উৎপাদন মৌসুম শুরু হয়েছে মার্চে। মন্ত্রণালয় জানায়, গত মৌসুমে দেশটিতে ২ লাখ ৭০ হাজার টন তুলা উৎপাদন হয়েছিল। কিন্তু চলতি বছর উৎপাদন কমে দুই লাখ টনে নেমে আসতে পারে। সে হিসাবে উৎপাদন ২৬ শতাংশ কমবে।
ইরানের খাতসংশ্লিষ্টরা জানান, চলতি বছরের এপ্রিলের শেষ দিকে তুলার আবাদ শুরু হয়েছে। এ বছর ১ লাখ ১৫ হাজার হেক্টর জমিতে তুলা আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে অপ্রত্যাশিত ও প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার ৮০ শতাংশও অর্জিত না হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
ইরানের কৃষি মন্ত্রণালয়ের তুলা প্রকল্পের ব্যবস্থাপক ইব্রাহিম হেজারজারিবি স্থানীয় গণমাধ্যমকে বলেন, বর্তমানে ইরানের ২০টি প্রদেশে তুলা আবাদ হয়েছে। স্থানীয় বাজারে ঊর্ধ্বমুখী চাহিদায় সাড়া দিয়ে আমরা আবাদ আরো বাড়ানোর পরিকল্পনা করছি। গ্রীষ্ম মৌসুম শেষ হওয়ার আগেই আরো বেশক’টি প্রদেশে তুলা আবাদ করা হবে। তিনি বলেন, গত মৌসুমে স্থানীয় বাজারে তুলার চাহিদা ছিল ৩ লাখ ৬০ হাজার টন। তবে এ বছর তা বেড়ে সাড়ে চার লাখ টনে উন্নীত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।










