পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বেঙ্গল উইন্ডসর থার্মোপ্লাস্টিকস লিমিটেডের ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘ডাবল এ টু’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-২’। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ও রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য গুণগত ও পরিমাণগত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (সিআরএবি)। স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
তথ্য অনুসারে, চলতি ২০২৩-২৪ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১৬ পয়সা।
গত ৩০ সেপ্টেম্বর শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২৫ টাকা ৮৩ পয়সায়।
৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৫১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৫২ পয়সা। গত ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৫ টাকা ৬৮ পয়সায়।
২০২১-২২ হিসাব বছরে উদ্যোক্তা পরিচালক বাদে অন্যান্য বিনিয়োগকারীকে ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৫২ পয়সা, যা আগের হিসাব বছরে ছিল ৫০ পয়সা। গত বছরের ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ২৫ টাকা ৩৫ পয়সায়।
২০২০-২১ হিসাব বছরে উদ্যোক্তা পরিচালক বাদে অন্যান্য বিনিয়োগকারীকে ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছিল ৫০ পয়সা, যা আগের হিসাব বছরে ছিল ১২ পয়সা। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২০ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি বেঙ্গল উইন্ডসর। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৬ পয়সা। ৩০ জুন ২০২০ শেষে প্রতিষ্ঠানটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ২৪ টাকা ৩৯ পয়সায়, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ২৪ টাকা ৬৩ পয়সা।
২০১৯ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল বেঙ্গল উইন্ডসর। আগের হিসাব বছরেও একই হারে নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল তারা। ২০১৭ হিসাব বছরে ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ পেয়েছিলেন কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডাররা।
২০১৩ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বেঙ্গল উইন্ডসরের অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৯১ কোটি ৪৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৮৮ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট শেয়ারের মধ্যে ৫৩ দশমিক ২৩ শতাংশ উদ্যোক্তা পরিচালক, ২৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ও বাকি ২০ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে।










