লালমনিরহাটে বেড়েছে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম। প্রতিটি রিফিল এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৫০ টাকা এবং নতুন প্যাকেজের সিলিন্ডারের দাম ২০০ টাকা করে বেড়েছে। এদিকে খালি সিলিন্ডারের দামও বেড়েছে।
লালমনিরহাটের বিভিন্ন ডিলার, খুচরা ব্যবসায়ী ও গ্রাহকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, জুন মাসের প্রথম দিকে খুচরা বাজারে প্রতিটি রিফিল এলপিজি সিলিন্ডার ৮৬০-৯০০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল। কিন্তু বর্তমানে দাম বেড়ে ৯২০-৯৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
লালমনিরহাট বানভাসা এলাকার বাসিন্দা গোলজার হোসেন বলেন, তিনদিন আগে ১২ কেজি ওজনের যমুনা এলপিজি সিলিন্ডার কিনেছি ৯৪০ টাকায়। অথচ মাসের শুরুতে কিনেছিলাম ৮৮০ টাকায়। মাত্র ২০-২২ দিনের ব্যবধানে সিলিন্ডারপ্রতি দাম বেড়েছে ৫০ টাকা করে।
সদর উপজেলার বাহাদুর মোড় এলাকার বাসিন্দা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা রুহুল আমিন বলেন, বাজারে নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির যে প্রবণতা, তা নিশ্চয়ই সুখকর নয়। মে মাসের শেষ সপ্তাহে এলপিজি কিনেছি ৮৬০ টাকায়। গত সপ্তাহে কিনতে হয়েছে ৯৩০ টাকায়।
কালীগঞ্জ উপজেলার মেসার্স রাবেয়া ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মো. আল মামুন বলেন, প্রত্যেকটি রিফিল সিলিন্ডারের দাম ৫০ টাকা করে বেড়েছে। একই সঙ্গে নতুন প্যাকেজের সিলিন্ডার ও নতুন খালি সিলিন্ডারের দামও বৃদ্ধি পেয়েছে।
পাটগ্রাম বাজারের মেসার্স শুভ ট্রেডার্সের প্রোপ্রাইটর দুলাল হোসেন বলেন, ওরিয়নের এলপিজি ৯৩০, যমুনার এলপিজি ৯৪০ ও বসুন্ধরার এলপিজি ৯৫০ টাকায় খুচরা বিক্রি হচ্ছে। এখন দোকানে দোকানে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি হয়। ফলে প্রতিযোগিতা অনেক বেশি।
লালমনিরহাটের এলপিজি সিলিন্ডার পরিবেশক মেসার্স হাসান ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মো. হাসান বলেন, পরিবহন খরচ, ভ্যাট, আয়কর, ব্যাংকঋণের সুদ, গোডাউন ভাড়া, কর্মচারীর বেতন ইত্যাদির পর কোম্পানির হাতে কমিশনের ১ টাকাও থাকে না। এর ওপর তীব্র প্রতিযোগিতা এবং দাম বৃদ্ধিতে ব্যবসায়ীরা বিপদে পড়েছেন। এখন ব্যবসা গুটিয়ে নেয়া ছাড়া উপায় নেই।
সেনা এলপিজির লালমনিরহাট জেলা পরিবেশক মেসার্স এমএল ট্রেডার্সের ব্যবস্থাপক মো. রেদওয়ানুল্লাহ বলেন, প্রত্যেক কোম্পানির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বেড়েছে ৫০ টাকা করে।
লালমনিরহাট জেলা মার্কেটিং অফিসার আব্দুর রহিম বলেন, প্রতিটি এলপিজি সিলিন্ডার খুচরা পর্যায়ে বর্তমানে ৯৩০-৯৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।










