আজ থেকে ব্যাংকটির রাইট শেয়ারের সাবস্ক্রিপশন শুরু হবে। চলবে আগামী ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্যানুসারে, ইউসিবি বিদ্যমান দুটি শেয়ারের বিপরীতে একটি করে রাইট শেয়ার ইস্যু করবে। এক্ষেত্রে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের ৭৭ কোটি ৫১ লাখ ৮৭ হাজার ৯৪৯টি শেয়ার ইস্যু করা হবে। এরই মধ্যে রাইট ইস্যুর বিষয়ে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ও বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন পেয়েছে ব্যাংকটি। রাইট শেয়ারসংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারিত ছিল গত ৪ আগস্ট।

ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের সর্বশেষ ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘‌এএ মাইনাস’ এবং স্বল্পমেয়াদে ‘‌এসটি টু’। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ও রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন করেছে ইমার্জিং ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড (ইসিআরএল)।

আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৬ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জানুয়ারি-জুন) ইউসিবির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ২২ পয়সা, যেখানে আগের হিসাব বছরের একই সময়ে ইপিএস ছিল ১২ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৬ শেষে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২৫ টাকা ৮৪ পয়সায়।

সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য কোনো লভ্যাংশ সুপারিশ করেনি ইউসিবির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে ব্যাংকটির ইপিএস হয়েছে ১৫ পয়সা, যেখানে আগের হিসাব বছরে ইপিএস ছিল ৫ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২৫ টাকা ৭১ পয়সায়।

সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরেও বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি ইউসিবির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে ব্যাংকটির ইপিএস হয়েছে ৫ পয়সা, এর আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৪৫ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৬ টাকা ৪২ পয়সায়।

৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে ইউসিবির পর্ষদ। এর মধ্যে ৫ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ছিল। আলোচ্য হিসাব বছরে ব্যাংকটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৫২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ২৯ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৮ টাকা ৮১ পয়সায়।

১৯৮৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ইউসিবির অনুমোদিত মূলধন ২ হাজার ৫০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ২ হাজার ৩২৫ কোটি ৫৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ২ হাজার ২৯০ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ২৩২ কোটি ৫৫ লাখ ৬৩ হাজার ৮৯৮। এর ১০ দশমিক ২৭ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া সরকারের কাছে দশমিক ৮১ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৩৭ দশমিক শূন্য ৪, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে দশমিক ৪৬ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৫১ দশমিক ৪২ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।