ভেনিজুয়েলার ২০২৩ সালে আগের বছরের তুলনায় অপরিশোধিত জ্বালানি তেল রফতানি বেড়েছে ১২ শতাংশ। এ সময় দেশটির রফতানির পরিমাণ ছিল দৈনিক সাত লাখ ব্যারেল। ভেনিজুয়েলার জ্বালানি তেল রফতানিতে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা কিছুটা শিথিল হওয়ায় এ প্রবৃদ্ধি এসেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। খবর রয়টার্স।
ওপেক জোটভুক্ত দেশটির জ্বালানি খাতের ওপর ২০১৯ সাল থেকে রফতানি নিষেধাজ্ঞা জারি করে রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে গত বছর ওপেক প্লাস জোট উত্তোলন কমিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিলে যুক্তরাষ্ট্র ভেনিজুয়েলার জ্বালানি খাতের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা কিছুটা শিথিল করে আনে।
২০২২ সালের শেষের দিকে ওয়াশিংটন ভেনিজুয়েলার জ্বালানি তেল সংস্থাগুলোকে সবুজ সংকেত দেখাতে শুরু করে। গত অক্টোবরে ছয় মাসের জন্য দক্ষিণ আমেরিকান এ দেশকে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল ও গ্যাস রফতানির অনুমতি দেয় বাইডেন প্রশাসন।
এর মধ্য দিয়ে চার বছর বন্ধ থাকার পর আবার যুক্তরাষ্ট্রে বাজারে তেল রফতানি শুরু করে ভেনিজুয়েলা। ভারতে ডলারে জ্বালানি তেল বিক্রির সুযোগ আবার চালু হয়। নিষেধাজ্ঞার আগে ভেনিজুয়েলার অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের শীর্ষ তিন রফতানি গন্তব্যের দুটি ছিল যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত। অন্য শীর্ষ ক্রেতা ছিল চীন। তবে চীন কখনই ভেনিজুয়েলা থেকে জ্বালানি তেল আমদানি বন্ধ করেনি।
এলএসইজি জাহাজ পর্যবেক্ষণ তথ্য ও পিডিভিএসএর তথ্যানুযায়ী, ২০২৩ সালে ভেনিজুয়েলা থেকে দৈনিক ৬ লাখ ৯৫ হাজার ১৯২ ব্যারেল (মোট রফতানির ৬৫ শতাংশ) অপরিশোধিত জ্বালানি তেল কিনেছে চীন।
অন্যদিকে ভেনিজুয়েলার মোট রফতানির ১৯ শতাংশ বা দৈনিক ১ লাখ ৩৫ হাজার ব্যারেল আমদানি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। একই সময় ইউরোপীয় দেশগুলো ৪ শতাংশ ও কিউবা নিয়েছে ৮ শতাংশ। এছাড়া ব্রাজিল, কলোম্বিয়া ও পানামাও গত বছর ভেনিজুয়েলা থেকে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি করেছে।










