ইউরোপে উড়োজাহাজ চলাচলে বিপর্যয় দীর্ঘ হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। মহামারী পরবর্তী সময়ে উড়োজাহাজ চলাচল পুনরুদ্ধার প্রচেষ্টা সত্ত্বেও ইউরোপে ফ্লাইট বাতিল, বিলম্ব কিংবা বুকিং হ্রাসের মতো ঘটনা ঘটছে। প্যারিস, লন্ডন ও জার্মানিতে শ্রমিক আন্দোলনে ঘনীভূত এ সংকট আগামী গ্রীষ্ম পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। খবর রয়টার্স।
চলতি বছরে বেড়েছে ফ্লাইট বাতিল ও দেরি হওয়ার ঘটনা। বৃদ্ধির হার ছাড়িয়ে গেছে ২০২২ সাল ও মহামারীর আগে ২০১৯ সালের ফ্লাইট বাতিল ও বিলম্বের রেকর্ড। পর্যটন ফার্ম ফরোয়ার্ডকিজের ভাইস প্রেসিডেন্ট ওলিভার পন্টি দাবি করেছেন, ফ্রান্সে পেনশন সংস্কার সংকটে পড়ার পর পরিস্থিতির আরো অবনতি ঘটেছে। চার্লস দে গল বিমানবন্দরের চলাচল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফ্রান্সে উড়োজাহাজ নিয়ন্ত্রণ কর্মীরা আন্দোলনের ঘোষণা দেয় সম্প্রতি। ২০২২ সালে ৭৫ শতাংশ ফ্লাইট ছিল সঠিক সময়ে। মহামারী আঘাত হানার আগে ২০১৯ সালে সঠিক সময়ে ফ্লাইট ছাড়ার হার ছিল ৭৬ শতাংশ। সম্প্রতি তা ৬২ শতাংশে নেমে এসেছে।










