কোম্পানিটিকে বিদ্যমান ‘জেড’ থেকে ‘বি’ ক্যাটাগরিতে উন্নীত করা হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে গতকাল এ তথ্য জানা গেছে।
তথ্যানুসারে, সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরের জন্য ঘোষিত ১ দশমিক ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীদের মাঝে বিতরণ করায় কোম্পানিটির ক্যাটাগরি পরিবর্তন করা হয়। গতকাল থেকেই ‘বি’ ক্যাটাগরিতে লেনদেন করছে কোম্পানিটি।
সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরের সিলকো ফার্মার শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪৪ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২৩ টাকা ২ পয়সায়।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে সিলিকো ফার্মার ইপিএস হয়েছে ২৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল একই। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৩ টাকা ২৯ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে পরিচালক বাদে বাকি বিনিয়োগকারীদের ১ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরের সিলকো ফার্মার ইপিএস হয় ৪৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরের যা ছিল ৬৭ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২২ টাকা ৬৬ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে পরিচালক বাদে বাকি শেয়ারহোল্ডারদের ৩ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে সিলকো ফার্মাসিউটিক্যালস। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয় ৬৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরের যা ছিল ৮১ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২২ টাকা ৩৫ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরে পরিচালক বাদে বাকি শেয়ারহোল্ডারদের ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে সিলকো ফার্মাসিউটিক্যালসের ইপিএস হয় ৮১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৮২ পয়সা। ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২১ টাকা ৯৫ পয়সায়।
২০১৯ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সিলকো ফার্মার অনুমোদিত মূলধন ১০৫ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১০৩ কোটি ৮০ লাখ ৭০ হাজার টাকা।
রিজার্ভে রয়েছে ১৩৫ কোটি ৭ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১০ কোটি ৩৮ লাখ ৭ হাজার। এর ৩৫ দশমিক ২৭ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১৬ দশমিক ৫০ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৪৮ দশমিক ২৩ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।










