চলতি বছরের প্রথমার্ধে প্রাকৃতিক গ্যাস উত্তোলন বাড়িয়েছে আজারবাইজান। জানুয়ারি-জুন পর্যন্ত দেশটি ২ হাজার ৩০ কোটি ঘনফুট প্রাকৃতিক গ্যাস উত্তোলন করে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় উত্তোলন বেড়েছে ৫ দশমিক ১ শতাংশ বা ৯৯ কোটি ঘনফুট। খবর আজারনিউজ।
মোট উত্তোলিত প্রাকৃতিক গ্যাসের মধ্যে আজেরি চিরাগ গানেশলি গ্যাসক্ষেত্র থেকে ৬৪০ কোটি ঘনফুট এবং শাহ দেনিজ ক্ষেত্র থেকে এক হাজার ঘনফুট প্রাকৃতিক গ্যাস উত্তোলন করা হয়। এছাড়া আজারবাইজানের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল ও গ্যাস উত্তোলন কোম্পানি বছরের প্রধমার্ধে ৩৯০ কোটি ঘনফুট প্রাকৃতিক গ্যাস উত্তোলন করতে সক্ষম হয়েছে।
এদিকে শুধু উত্তোলনই নয়, বরং প্রাকৃতিক গ্যাস রফতানিও বাড়িয়েছে আজারবাইজান। জানুয়ারি-জুন পর্যন্ত দেশটি দেশের বাইরে ৯১০ কোটি ঘনফুট প্রাকৃতিক গ্যাস বিক্রি করেছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় রফতানি ৩৬ শতাংশ বেড়েছে।
এ সময় আজারবাইজানের সবচেয়ে বড় ক্রেতা ছিল তুরস্ক। বছরের প্রথমার্ধে দেশটিতে ৪৭০ কোটি ঘনফুট প্রাকৃতিক গ্যাস রফতানি করে আজারবাইজান। বাকি ১২০ কোটি ঘনফুট জর্জিয়ায় ও ৩২০ কোটি ঘনফুট ইউরোপের অন্যান্য দেশে রফতানি হয়।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে বাকু-তিবলিসি-চেয়হান পাইপলাইনের মধ্য দিয়ে ৫ কোটি ৫০ লাখ ঘনফুট প্রাকৃতিক গ্যাস বিশ্ববাজারে সরবরাহ করা হয়। এছাড়া ২৭০ কোটি ঘনফুট গ্যাস ট্রান্স আনাতোলিয়ান গ্যাস পাইপলাইনের মধ্য দিয়ে তুরস্কে সরবরাহ করা হয়।
এদিকে প্রাকৃতিক গ্যাস উত্তোলন বাড়লেও অপরিশোধিত জ্বালানি তেল উত্তোলন ছিল নিম্নমুখী। জানুয়ারি-জুন পর্যন্ত আজারবাইজান ১ কোটি ৭২ লাখ টন অপরিশোধিত জ্বালানি তেল ও কনডেনসেট উত্তোলন করে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় উত্তোলন ৩ লাখ ৬৯ হাজার ১০০ টন কমেছে।
মোট উত্তোলিত অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের মধ্যে আজেরি চিরাগ গানেশলি ক্ষেত্র থেকে ১ কোটি ১৪ লাখ টন ও শাহ দেনিজ ক্ষেত্র থেকে ১৯ লাখ টন অপরিশোধিত জ্বালানি তেল উত্তোলন করা হয়। এছাড়া আজারবাইজানের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল ও গ্যাস উত্তোলন কোম্পানি বছরের প্রথমার্ধে ৩৯ লাখ টন অপরিশোধিত জ্বালানি তেল উত্তোলন করে।
উত্তোলন কমে যাওয়ায় অপরিশোধিত জ্বালানি তেল রফতানিও হ্রাস পেয়েছে। জানুয়ারি-জুন পর্যন্ত আজারবাইজান ১ কোটি ৪০ লাখ টন অপরিশোধিত জ্বালানি তেল ও কনডেনসেট রফতানি করে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় রফতানি ৪ দশমিক ৮ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।










