প্রতি মাসে ১৫ থেকে ২০ লাখ মেট্রিক টন এলপিজি দেশে আসে। প্রতিনিয়ত বাড়ছে এর ব্যবহারও। তবে যে হারে ব্যবহার বেড়েছে সেই তুলনায় বাড়েনি সচেতনতা। এর কারণ হিসেবে বক্তারা বলছেন যোগ্য ব্যক্তিকে সঠিক জায়গা না বসানো। এতে দুর্ঘটনাও ঘটছে।তাই এলপিজি সেক্টরে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারদের নিয়োগ দিতে হবে। নন টেকনিক্যাল লোক দিয়ে এ সেক্টর চালানো যাবে না। 

বুধবার ( ৬ মার্চ) এলপিজি ইন্ডাস্ট্রি : কমপ্লায়েন্স, সেফটি অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট শীর্ষক জাতীয় সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন।

প্রধান অতিথি শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন বলেন, রাজউকের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী থেকে হওয়া দরকার। আগে সেরকমই হতো। যেখানে যিনি পারফেক্ট  তাকে সেখানে দিতে হবে। আমরা সচেতন হবো এলপিজির ব্যবহারে। টেকনিক্যাল জ্ঞান নিতে হবে। এলপিজির ব্যবহারও বেড়েছে। টেকনিক্যাল জিনিসগুলো আইইবির প্রকৌশলীরা তুলে ধরবেন দেশবাসীর কাছে। মানুষকে সচেতন করবেন। সচেতনতা আরো বাড়াতে হবে। এলপিজির ব্যবহার বেড়েছে, সচেতনতা বাড়েনি। তদারকিও বাড়াতে হবে। কারিকুলামেও আনা যেতে পারে। উন্নয়ন কাজে প্রকৌশলীরা এগিয়ে আসুন। এখন কৃষিবিদরা বিভিন্ন দপ্তরে এগিয়ে গেছেন।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জেএমআই ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্যাস লিমিটেড এর হেড অব সেফটি এন্ড কমপ্লায়েন্স প্রকৌশলী মো. লিয়াকত আলী। তিনি বলেন, এলপিজি খাতের কোনো পণ্যই যেন টেস্ট ছাড়া বাজারে না আসে। প্রতিটি পণ্যে উৎপাদন ও মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ অবশ্যই থাকতে হবে। ফিজিক্যাল, কেমিক্যাল ও এক্সরেসহ সব ধরনের টেস্ট করতে হবে। দেশে ২৯টি এলপিজি কোম্পানির মধ্যে কতটির সেফটি ইঞ্জিনিয়ার আছে। সিলিন্ডার কখনো ফাটে না। এলপিজি ভালভ কারা মেরামত করছে? ১০ ধরনের টেস্ট রয়েছে, কতগুলো কোম্পানি এসব টেস্ট করায়। 

তিনি বলেন, ১৫-২০ লাখ মেট্রিক টন এলপিজি দেশে আসে। এসব ব্যবস্থাপনা করেন নন টেকনিক্যাল লোক। এলপিজি সেক্টরে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারদের নিয়োগ দিতে হবে। এ বিষয়ে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের গভীর জ্ঞান নেই। 

বিশেষ অতিথি ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশের (আইইবি) প্রেসিডেন্ট সংসদ সদস্য প্রকৌশলী মো. আবদুস সবুর বলেন, সঠিক জায়গায় সঠিক লোককে দায়িত্ব দিতে হবে। সেমিনারটির আয়োজন করে আইইবির কেমিকৌশল বিভাগ।সভাপতিত্ব করেন আইইবির কেমিকৌশল বিভাগের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী এ.এন.এম তারিক আবদুল্লাহ।