পুঁজিবাজারে ব্যাংক খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি পূবালী ব্যাংক পিএলসির পরিচালনা পর্ষদ চতুর্থ সাব-অর্ডিনেটেড বন্ড ইস্যু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে ব্যাংকটি পুঁজিবাজার থেকে ৭০০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। ব্যাংকটির অনুষ্ঠিত পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

তথ্যমতে, এ সাব-অর্ডিনেটেড বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে ব্যাংকটির মূলধন ভিত্তি শক্তিশালী করা হবে। নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদনক্রমে বন্ডটি ইস্যু করা হবে। 

চলতি ২০২৩ হিসাব বছরের তিন প্রান্তিকে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫ টাকা ৯৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরে একই সময়ে যা ছিল ৫ টাকা ১১ পয়সা। গত সেপ্টেম্বর শেষে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৪৫ টাকা ৭৯ পয়সায়।

সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরের জন্য সাড়ে ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশের সুপারিশ করেছে পূবালী ব্যাংকের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে ব্যাংকটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ৫ টাকা ৪৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪ টাকা ২৩ পয়সা। গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর শেষে ব্যাংকটির সমন্বিত এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৪১ টাকা ৯৬ পয়সায়।

ডিএসইতে গতকাল পূবালী ব্যাংক শেয়ারের সর্বশেষ ও সমাপনী দর ছিল ২৭ টাকা ৫০ পয়সা। গত এক বছরে এ শেয়ারের সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ দর ছিল যথাক্রমে ২৫ টাকা ৭০ ও ২৮ টাকা ৭০ পয়সা।

১৯৮৪ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত পূবালী ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন ২ হাজার কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১ হাজার ২৮ কোটি ২৯ লাখ টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৩ হাজার ২৮৬ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। ব্যাংকটির মোট শেয়ার সংখ্যা ১০২ কোটি ৮২ লাখ ৯৪ হাজার ২১৮। এর মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের হাতে রয়েছে ৩১ দশমিক ৪৯ শতাংশ শেয়ার। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৩০ দশমিক ২৬, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে দশমিক শূন্য ৭ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে বাকি ৩৮ দশমিক ১৮ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।