বিশেষ করে কসমেটিকস ও নিত্যপণ্যের মোড়কীকরণে প্লাস্টিকের বিকল্প হিসেবে কাগজের টিউব ও পাউচের ব্যবহার বাড়ছে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে নিক্কেই এশিয়া।

দক্ষিণ কোরিয়র প্যাকেজিং নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ইয়োনউ জানিয়েছে, যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে কোম্পানির পরিবেশবান্ধব পণ্যের বিষয়ে গ্রাহকদের অনুসন্ধান ও আগ্রহ প্রায় তিন গুণ বেড়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যে এক মাসের বেশি সময় ধরে যুদ্ধের ফলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেল ও পেট্রোকেমিক্যালস সরবরাহে বিঘ্ন দেখা দিয়েছে। ফলে প্লাস্টিকের দাম চার বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। এতে ওয়ান-টাইম বা একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক মোড়ক তৈরি করা উৎপাদনকারীদের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে।

পরিবেশ নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন গোষ্ঠী কয়েক দশক ধরে এশিয়ায় প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানোর দাবি জানিয়ে আসছিল। তবে সচেতনতার চেয়ে যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট সরবরাহ সংকটই এখন দ্রুত এ পরিবর্তন নিয়ে আসছে। নতুন উদ্ভাবিত কাগজের টিউবগুলোয় প্রচলিত প্যাকেজিংয়ের তুলনায় মাত্র ২০ শতাংশ প্লাস্টিক ব্যবহার হয়, যা প্রধানত সানস্ক্রিন ও লোশনের মতো প্রসাধনসামগ্রীতে ব্যবহার হচ্ছে।

অর্থনৈতিক উন্নয়ন সংস্থা ওইসিডির তথ্যানুযায়ী, চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া সম্মিলিতভাবে বিশ্বের মোট প্লাস্টিকের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ ব্যবহার করে। তবে জাপানের পরিস্থিতি সবচেয়ে উদ্বেগজনক। ২০২৫ সালের একটি গবেষণা অনুযায়ী, মাথাপিছু প্লাস্টিক উৎপাদন ও ব্যবহারে যুক্তরাষ্ট্রের পরই জাপানের অবস্থান।