বৈঠকে চীনা প্রতিনিধি দলটির নেতৃত্ব দেন সিইএবির ভাইস প্রেসিডেন্ট মা বেন। ডিএসইর পক্ষে এক্সচেঞ্জটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুজহাত আনোয়ার, প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আসাদুর রহমান, প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা ড. মো. আসিফুর রহমান, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা মো. আদিব হোসেন খানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে সিইএবির ভাইস প্রেসিডেন্ট মা বেন জানান, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সংগঠনটির পরিধি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা ২৫০-এর বেশি, যারা বাণিজ্য, অবকাঠামো, তথ্যপ্রযুক্তি, জ্বালানি, লজিস্টিকসসহ বিভিন্ন খাতে সক্রিয়। বাংলাদেশে কার্যরত প্রায় সব বড় চীনা কোম্পানিই এ সংগঠনের সদস্য। ২০২৬ সালে সিইএবি বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরো জোরদারে কাজ করে যাবে এবং দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার নতুন দিক উন্মোচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বৈঠকে সিইএবির অন্তর্ভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে চায়না বিজনেস অ্যাসোসিয়েশন, হুয়াওয়ে, চায়না সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং, মেংফেই’স সাপ্লাই চেইন, জিংসু কনস্ট্রাকশন, হুনান কনস্ট্রাকশন ইনভেস্টমেন্ট, চেন হুইমিন, হুইসি দা অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ল ফার্ম, চায়না রেলওয়ে ফার্স্ট ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যুরো, বাংলাদেশ সিনো-সোর্স কনস্ট্রাকশন, সিকেডি লেজার, ডংজিং গ্রুপ, কোকো ফ্যাশন, জিয়াংসু গুয়োতাই হুয়াশেং, শিন গাও টেক্সটাইল, জিংতাই রোড অ্যান্ড ব্রিজ কোম্পানি, বিওএফ, ভিভো ও শেনজেন কিংডমের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। —বিজ্ঞপ্তি