দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর রেলপথে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি পুনরায় শুরু হওয়ায় দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরের পাইকারি বাজারে পণ্যটির সরবরাহ বাড়তির দিকে রয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে দামে। দফায় দফায় কমছে পেঁয়াজের দাম। এ ধারাবাহিকতায় গতকাল এখানকার বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম আরো ৮ টাকা কমেছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, চলমান মহামারীর মধ্যেও আমদানি অব্যাহত থাকলে আগামী দিনগুলোয় পাইকারি বাজারে পেঁয়াজের দাম বর্তমানের তুলনায় আরো কমে আসতে পারে।
গতকাল হিলি স্থলবন্দরের আড়তগুলো ঘুরে ভারত থেকে আমদানি করা প্রতি কেজি পেঁয়াজ পাইকারি পর্যায়ে মানভেদে ২১-২২ টাকায় বিক্রি হতে দেখা যায়। একদিন আগেও পণ্যটি কেজিপ্রতি ২৬-৩০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল। সেই হিসাবে একদিনের ব্যবধানে হিলির পাইকারি বাজারে পেঁয়াজের দাম কেজিতে সর্বোচ্চ ৮ টাকা কমেছে। তবে দেশে উৎপাদিত পেঁয়াজ আগের মতোই ৩৮ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
স্থানীয় পেঁয়াজ আমদানিকারক সাইফুল ইসলাম বণিক বার্তাকে বলেন, নভেল করোনাভাইরাসের কারণে দেশে সাধারণ ছুটি ও ভারতে টানা লকডাউন চলমান থাকায় এ স্থলবন্দর দিয়ে দীর্ঘ দুই মাস আমদানি-রফতানি কার্যক্রম বন্ধ ছিল। এখন আমদানি পুনরায় শুরু হওয়ায় কমতে শুরু করেছে পেঁয়াজের দাম।
মাসের প্রথম দিন মহারাষ্ট্রের নাসিক থেকে পেঁয়াজের চালান নিয়ে ভারতের ৪২ বগির একটি মালবাহী ট্রেন দর্শনা সীমান্ত দিয়ে হিলি রেলস্টেশনে এসে পৌঁছে। এতে হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স সুমাইয়া ট্রেডার্স ১ হাজার ৬০০ টন পেঁয়াজ আমদানি করেছে।
গত ২৮ মে বিরল হয়ে ৪২ বগির আরো একটি ভারতীয় মালবাহী ট্রেন হিলিতে এসেছিল। ওই ট্রেনে ১ হাজার ৬০০ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছিল। কমে এসেছিল দাম। ৫ জুন ভারত থেকে রওনা হওয়া আরো একটি পেঁয়াজবাহী ট্রেন হিলি রেলস্টেশনে এসে পৌঁছার কথা রয়েছে। তখন পণ্যটির দাম বর্তমানের তুলনায় আরো কমে যেতে পারে।










